• বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৫
ads
৫ দাবিতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ

বেনাপোল বন্দর

সংগ্রহীত ছবি

আমদানি-রফতানি

৫ দাবিতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ

  • বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৭ জুন ২০১৮

পেট্রাপোল-বেনাপোল বন্দরে গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে আমদানি-রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট মেইনটেন্যান্স কমিটি। বেনাপোল বন্দরে পুড়ে যাওয়া ভারতীয় ট্রাকের ক্ষতিপূরণসহ বন্দরের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাঁচ দাবিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গত ২০ জুন তারা এক পত্রে ২৫ জুনের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে গতকাল থেকে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক  দেয়।

গত সোমবার ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে সমাবেশ করে পেট্রাপোল সীমান্তে বৈদেশিক বাণিজ্যের সংশ্লিষ্ট সমিতিগুলোর যুক্ত মঞ্চ নামের ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট মেইনটেন্যান্স কমিটি। সেখান থেকেও এই লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। এ সময় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধ থাকার ঘোষণাও দেওয়া হয়। ধর্মঘটের সমর্থনে গতকাল সকালে বেনাপোল চেকপোস্টের বিপরীতে ভারতীয় পেট্রাপোল চেকপোস্টে সমাবেশ করছেন ভারতীয় বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

তাদের দাবিগুলো হলো গত ৩ জুন বেনাপোল বন্দরে অগ্নিকাণ্ডে যে সাতটি ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ক্ষতিপূরণসহ অবিলম্বে ট্রাক ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বন্দরে যেসব ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশ করবে সেগুলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খালি করে পুনরায় ভারতে ফেরত দিতে হবে। বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালি করতে গিয়ে ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য চুরি হলে তার দায়িত্ব ভারতীয় চালক বহন করবে না। বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালি বা চালান সই করার কোনো খরচ ভারতীয় চালক বহন করবে না। বেনাপোল বন্দরে পার্কিং ও পণ্য গুদামে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং চালকের জন্য শৌচাগার ও পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ ব্যাপারে বেনাপোল স্থলবন্দর পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। গতকাল আবারো ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তারা সেটা না করে আমদানি-রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। তারপরও দুই পক্ষের আলোচনায় একটা সমাধানে আসবে বলে আশা রাখি।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা জানান, তাদের কাছ থেকে ধর্মঘটের চিঠি পাওয়ার পর সন্তোষজনক একটি সমাধানের জন্য আমরাও চিঠি দিয়ে গতকাল বিকালে বৈঠক করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করার কথা ছিল। কিন্তু তারা সেই সুযোগ না দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। এখন এ ব্যাপারে আমাদের কিছু বলার নেই। সমাধানের জন্য আমাদের ডাকলে অবশ্যই যাব।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads