• শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

জুনে বেনাপোলে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে

ছবি সংগৃহীকত

আমদানি-রফতানি

জুনে বেনাপোলে কোটি টাকার রাজস্ব আদায়

  • বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১১ জুলাই ২০১৮

যশোরের বেনাপোলে গত জুনে ১৯৪টি ডিটেনশন মেমোর (সাময়িক আটক পত্র) মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। 

ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি ও ভারতীয় পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত মালামাল জব্দ করে এ রাজস্ব আদায় করে কাস্টমস কর্মকর্তারা।

জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে শাড়ি, থ্রিপিস, জুতা, কসমেটিকস, চকোলেট, আগরবাতি এবং বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভারতীয় মদ। তবে ভারতীয় ব্যাগেজ পার্টির কাছ থেকে জব্দকৃত মালামালের কোনো ডিটেনশন মেমো দেওয়া হয়নি। তাদের কাছ থেকে জব্দকৃত মালামালের কোনো ভারতীয় দাবিদার না হওয়ায় সেসব মালিকবিহীনভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে কাস্টম কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে একটি সিন্ডিকেটের সদস্যরা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ব্যাগেজ ব্যবসার সহায়তা করে আসছিল। ব্যাগেজ ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হওয়ায় কাস্টম এবং বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থার ভুয়া পরিচয় দিয়ে এসব সিন্ডিকেটের সদস্য প্রতিদিন প্রায় ৪০০ ব্যাগেজ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জনপ্রতি ২ থেকে ৩ হাজার টাকা আদায় করছিল। আদায়কৃত এসব টাকা সপ্তাহ শেষে সিন্ডিকেটের লোকজন ভাগ-বাটোয়ারা করে নিচ্ছিল। প্রতিদিন ভারত থেকে আসা ব্যাগেজ ব্যবসায়ীরা লাখ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত মালামাল নিয়ে আসছিল।

এ ব্যাপারে বেনাপোলের আমদানিকারক সাজেদুর রহমান বলেন, ব্যাগেজ ব্যবসার কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ছোট ছোট আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা যেসব মালামাল ভারত থেকে আমদানি করে সর্বনিম্ন ১০০ টাকার নিচে বাজারে বিক্রি করতে পারি না, সেসব মালামাল ব্যাগেজ ব্যবসায়ীরা বিক্রি করে থাকেন ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। এ কারণেই অনেক পণ্যের আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। আর আমদানি বন্ধ হওয়ায় সরকার রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে ব্যাগেজ ব্যবসায়ীরা।

বেনাপোল কাস্টম হাউজের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে অধিকতর যাত্রীসেবা নিশ্চিতকল্পে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে এ চেকপোস্টকে ব্যবহার করে যেন কোনো অসাধু চক্র ব্যাগেজ ব্যবসার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাচালান, মুদ্রা পাচারের মতো কোনো অপরাধ করতে না পারে সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads