• রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে রপ্তানি আয়

ছবি : সংগৃহীত

আমদানি-রফতানি

এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে রপ্তানি আয়

১১ মাসে প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ

  • জাহিদুল ইসলাম
  • প্রকাশিত ১১ জুন ২০১৯

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাস পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা। গত অর্থবছরে একই সময়ে রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৩ হাজার ৩৭২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। এ হিসাবে অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৪০২ কোটি ১৮ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৩৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ইপিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ। সব মিলে ১১ মাসে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ। এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চাইতে ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ আয় বেশি এসেছে। এ অবস্থায় অর্থবছর শেষে রপ্তানিতে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, একক মাস হিসাবে মে মাসে মোট ৩৮১ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই মাসে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩৩২ কোটি ২৪ লাখ ডলার। সে হিসাবে আগের অর্থবছরের মে মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের মে মাসে ১৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেশি রপ্তানি হয়েছে।

ইপিবি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে নিট পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে এক হাজার ৫৬৮ কোটি ২৪ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ছয় দশমিক ৯৮ শতাংশ বেশি। এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৪৬৫ কোটি ৯২ লাখ ডলার। এ সময়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি আয় হয়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে আয় হয়েছিল এক হাজার ৩৯৪ ডলার।

অন্যদিকে জুলাই থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি করে এক হাজার ৬০৫ কোটি ১৪ লাখ ডলার আয় হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি। আর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ছয় দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। এ সময়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৫০১ কোটি ২৩ লাখ ডলার। আর গত অর্থবছরে একই সময়ে এ খাতে আয় হয়েছিল এক হাজার ৪১৮ কোটি ৮৫ লাখ ডলার।

তা ছাড়া স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাতের প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্যমাত্রাও ইতিবাচক হলেও হোম টেক্সটাইল খাতে লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হয়ে গেছে। স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৩ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। যা গত বছরের চেয়ে ৩৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি। হোম টেক্সটাইল খাতের রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে দুই দশমিক ৬৯ শতাংশ কম হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এ খাতে আয় হয়েছে ৮০ কোটি আট লাখ ডলার।

এ ছাড়া প্রাইমারি কমোডিটিজ, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য, কেমিক্যাল পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য, সিরামিক পণ্য, হ্যান্ডিক্যাফটসসহ বেশির ভাগ পণ্যে ভালো রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিমেন্টসহ কয়েকটি পণ্যে প্রবৃদ্ধি কমে গেছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads