• বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬
ads
করোনায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ

ফাইল ছবি

আমদানি-রফতানি

করোনায় স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ২৪ মার্চ ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ভারতে লকডাউন ঘোষণার কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর, কুমিল্লার বিবিরবাজার ও বুড়িমারী বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

হিলি বন্দর : কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আ্য্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান লিটন জানান, করোনা ভাইরাসের কারণে ভারতের হিলিতে লকডাউন ঘোষণা করায় গত রোববার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।

এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন থানার অফিসার ইনচার্জ সেকেন্দার আলী জানান, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে ইতঃপূর্বে যারা গমন করেছেন তারা আগমন করছেন। নতুন করে কোনো যাত্রী পারাপারের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। পানামা হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেডের মিডিয়া উইং সোহরাফ হোসেন মল্লিক জানান, দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও পোর্ট অভ্যন্তরে আমদানি করা পণ্যের লোড-আনলোডসহ সব কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

বিবিরবাজার : করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কুমিল্লা বিবিরবাজার স্থলবন্দরে এবার আমদানি-রপ্তানিও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে ভারত সরকার বাংলাদেশের ভিসা বন্ধ করলে এই স্থলবন্দর দিয়ে যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। গত রোববার এই স্থলবন্দরের কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত জারি হয়। বিবিরবাজার স্থলবন্দরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ যেন না বাড়ে, সেই লক্ষ্যে ভারত সরকার আমদানি-রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। যার কারণে স্বভাবতই আমাদের বিবিরবাজার বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ করা হয়েছে।

বুড়িমারী : করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরে ২২-৩১ মার্চ পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত শনিবার সন্ধ্যায় পত্র বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠন ও সরকারি সিদ্ধান্তে ঘোষণা দেওয়া হয়।  বুড়িমারী স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন বাবুল বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ভারত সরকার চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দরকে ২২-৩১ মার্চ পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে। এ জন্য বুড়িমারী স্থলবন্দরেও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। শুধু আটকা পড়া বাংলাদেশ ও ভারতের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের নিজ নিজ দেশে ফিরতে ইমিগ্রেশন খোলা থাকবে।  বুড়িমারী চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, স্থলবন্দর বন্ধ থাকবে। শুধু ইমিগ্রেশন চালু থাকবে। তবে নিজ নিজ দেশে ফিরতে পারবেন শুধু উভয় দেশের পাসপোর্টধারী নাগরিকরা। লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, ভারত সরকার করোনা মোকাবেলায় তাদের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করায় বুড়িমারী স্থলবন্দরের কার্যক্রমও ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads