• বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৯, ৪ মাঘ ১৪২৪
ক্যালিফোর্নিয়ায় ছড়িয়ে পড়া দাবানলে নিহত ৯

ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে নিহত ৯

ছবি : ইন্টারনেট

উত্তর আমেরিকা

ক্যালিফোর্নিয়ায় ছড়িয়ে পড়া দাবানলে নিহত ৯

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ১১ নভেম্বর ২০১৮

ক্যালিফোর্নিয়ার বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া দুটি পৃথক দাবানলে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যটির কর্মকর্তারা। ভয়াবহ এ আগুনের রোষ থেকে বাঁচাতে এরই মধ্যে অঙ্গরাজ্যটির দেড় লাখেরও বেশি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএনের খবরে।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজনকে পাওয়া গেছে ‘ক্যাম্প ফায়ার’ দাবানলে পুড়ে যাওয়া প্যারাডাইস শহরের কয়েকটি গাড়ির ভেতরে। ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তর দিকে ছড়িয়ে পড়া এ আগুন সামলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে আগে থেকেই। তবে এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলে দমকল বাহিনীর কর্মীরা জানিয়েছেন।

ক্যালিফোর্নিয়ার বনাঞ্চল ও অগ্নি-সুরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র স্কট ম্যাকলিন বলেন, প্যারাডাইসে আর কোনো কিছুই অবশিষ্ট নেই। আগুন এখন লস অ্যাঞ্জেলেসের পশ্চিম দিক থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ একটি মহাসড়ক ছাড়িয়ে উপকূলীয় এলাকাগুলোর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এরই মধ্যে আগুনে মালিবু শহরের বেশ কয়েকটি বাড়িও ভস্মীভূত হয়ে গেছে। গত বুধবার রাতে লস অ্যাঞ্জেলেসের যে থাউজেন্ড ওকস শহরের একটি বারে বন্দুকধারীর গুলিতে ১২ জন নিহত হয়, সেখান থেকে মাত্র কয়েক মাইল দূরে ‘উলসি ফায়ার’ অবস্থান করছে।

শহরটির পশ্চিম দিকের অন্যান্য এলাকার বাসিন্দাদেরও দ্রুত নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ যেসব শহর খালি করে ফেলতে বলেছে, তার মধ্যে উপকূলীয় মালিবু ও কালাবাসাস শহরও আছে। এ দুটি শহরেই অভিনেত্রী কিম কারদাশিয়ান, গায়ক কানইয়া ওয়েস্ট, শের, লেডি গাগা ও অস্কার বিজয়ী পরিচালক গুইলেরমো দেল তোরোর মতো সেলিব্রেটিরাও থাকেন।

গত শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৮টার মধ্যেই এ দাবানল ১৪ হাজার একর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তীব্র বাতাসের সহযোগিতা নিয়ে দুটি দাবানলই দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার বেশিরভাগ এলাকাতেই ‘লাল পতাকা সতর্কতা’ জারি করেছেন। এর অর্থ হচ্ছে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আগুন আরো ‘ভয়াবহ আচরণ’ করতে পারে। ২০১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলীয় এ রাজ্যটি বেশ কয়েকটি ভয়াবহ দাবানলের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ‘মেনদোসিনো’ ও ‘থমাস ফায়ার’ ছিল ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ও বিস্তৃত।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads