• রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৫
ads
‘কালোটাকা বিনিয়োগ হলে অর্থনীতি চাঙা হবে’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে আইন, বিচার, মানবাধিকার ও সংবিধানবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

সংরক্ষিত ছবি

রাজস্ব

‘কালোটাকা বিনিয়োগ হলে অর্থনীতি চাঙা হবে’

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ৩০ এপ্রিল ২০১৯

বিদেশে পাচার করা টাকা এবং দেশে লুকায়িত অর্থ মুদ্রাবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দিলে দেশের অর্থনীতি চাঙা হবে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতি। আসন্ন বাজেটকে বিনিয়োগবান্ধব করার দাবি জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, এতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরো গতিশীল হবে এবং প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে আইন, বিচার, মানবাধিকার ও সংবিধানবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ) কার্যালয়ে গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জাতীয় আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহ মো. খসরুজ্জামান।

তিনি বলেন, আগামী বাজেটের রূপরেখা চূড়ান্ত করার আগে সারাদেশের আইনজীবীদের পক্ষ থেকে কয়েকটি সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর সুবিবেচনার জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দেশে-বিদেশে অনেকের কাছে বিপুল পরিমাণে টাকা আছে যা করের আওতায় আসেনি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এটাকে অঘোষিত অর্থ বলে থাকে। এটাকে কালো টাকাও বলা হয়। অনেকে গোপনীয় টাকা বিভিন্ন উপায়ে জমিতে বিনিয়োগ করে লুকিয়ে রাখে। এছাড়া কেনা জমি কখনো করদাতা তার সম্পদ বিবরণীতে প্রদর্শন করেন না। এসব জামির মালিকদের ক্রয়কৃত দলিল মূল্যের ওপর ৫ শতাংশ হারে কর প্রদান করার সুযোগ দিয়ে জমিতে বিনিয়োগ করা অর্থ গ্রহণ করলে ওই জমি করদাতার বিবরণীতে প্রকাশিত হবে এবং করের আওতায় আসবে। এ সুযোগ আগামী অর্থবছরে দেওয়া যেতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জমিতে ব্যাংকঋণ গ্রহণ, আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন কিংবা শিল্প কলকারখানা নির্মাণের সুযোগ পাবেন। এতে বেসরকারি খাতে শিল্পায়ন বা বাণিজ্যেও বিপুল সাড়া পড়বে।

তিনি আরো বলেন, দেশে নতুন শিল্প স্থাপন কিংবা পুরাতন শিল্পকে বিএমআরই এর মাধ্যমে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। দেশের পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা আনার লক্ষ্যে বিনিয়োগকে স্বল্পমেয়াদে হলেও উৎসাহিত করতে হবে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি হলে বাজার নিম্নগতি থাকবে না।

তিনি গৃহনির্মাণ খাতে কর কমানোর পরামর্শ দিয়ে বলেন, আয়কর অডির্ন্যান্স ১৯৮৪-এর ১৯(ই) ধারা সংশোধন করে ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে। কর কমালে নাগরিকদের মধ্যে স্বেচ্ছায় কর দেওয়ার প্রবণতা বাড়বে। এছাড়া আইনজীবীদের দেওয়া কোর্ট ফি থেকে ১ ভাগ অর্থ সরকারি কোষাগার থেকে প্রত্যেক আইনজীবী সমিতির বেনাভোলেন্ট তহবিলে সরাসরি জমা করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সহ-সভাপতি কে এম জাবির ও শামসুল জালাল চৌধুরী, সাবিনা ইয়াসমিন (লিপি) ও সারওয়ার আকতার মাসুদ (টিটু) উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads