• বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
মেননের গাড়িতে ‘বলাকা’র ধাক্কা

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন

ছবি : সংগৃহীত

দুর্ঘটনা

মেননের গাড়িতে ‘বলাকা’র ধাক্কা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৩ মার্চ ২০১৯

এবার রাজধানীতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে বহনকারী প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দিয়েছে একটি বাস। সুপ্রভাত পরিবহনের বাসচাপায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার নিহত হওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গতকাল শুক্রবার সকালে মহাখালীতে বলাকা পরিবহনের একটি বাস মেননের গাড়িকে ধাক্কা দেয়। তবে বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে মেননের সঙ্গে তার গানম্যান ছাড়াও আরো একজন ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে রাশেদ খান মেনন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার সময় মহাখালীতে বলাকা পরিবহনের বাসটি হঠাৎ জোরে টান দিয়ে সামনে এসে তার গাড়িতে লাগিয়ে দেয়। সার্জেন্ট ওই বাসটিকে সঙ্গে সঙ্গে আটক করে দেখতে পান গাড়ির কোনো কাগজপত্র নেই, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, কোনো কিছুই নেই।’

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন, ‘আমার কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে ক্ষতি হতে পারত যদি ওই বাসটির স্পিড আরো বেশি থাকত।’ এদিকে ওয়ার্কার্স পার্টির অফিস থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গাড়িতে করে যাওয়ার সময় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালসংলগ্ন পুলিশ বক্সের সামনে বলাকা বাস (ঢাকা মেট্রো ব-১১-৯৬৮৪) মেননের গাড়িকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলে থাকা কর্তব্যরত সার্জেন্ট সঙ্গে সঙ্গে বাসটি থামিয়ে চালককে আটক করেন। জিজ্ঞাসাবাদে চালক জানান, বাসটির কোনো কাগজপত্র নেই। তারও লাইসেন্স ছিল না। এমনকি গাড়ির ফিটনেসও নেই। বাস ও চালক বনানী থানায় রয়েছে বলে ওয়ার্কার্স পার্টির পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বনানী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বোরহান উদ্দিন জানান, সকালে খবর পাওয়ার পরই থানার এসআই মোখলেছুর রহমানকে পাঠানো হয়। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় বাস ও চালককে আটক করে থানা হেফাজতে আনা হয়।

এ ব্যাপারে এসআই মোখলেছুর রহমান জানান, ওই বাসটির বিরুদ্ধে আগেও মোবাইল কোর্টে মামলা হয়েছে। মেলেনি চালকের লাইসেন্সও। ওই চালকের বিরুদ্ধেও মামলা হওয়ায় লাইসেন্স জব্দ রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে আটক চালকের নাম জানাতে পারেননি তিনি।

গত ১৯ মার্চ রাজধানীর নদ্দা এলাকায় একটি বাসের চাপায় মারা যান বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)’র ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরী। এই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর সড়কে নিরাপত্তার দাবিতে দ্বিতীয় দফায় আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন দাবি পূরণে সরকারকে সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে ২৮ মার্চ পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত রেখেছেন তারা।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads