• বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬
ads
টানা বর্ষণে রবি শস্যের ক্ষতি

গত দু’দিনের বৃষ্টিতে আন ক্ষেতের ধানগাছ বাতাসে মাটিতে ন্যূয়ে পড়ে। ধামইরহাটের আবিলাম মাঠ থেকে তোলা ছবি

প্রতিনিধি

কৃষি অর্থনীতি

টানা বর্ষণে রবি শস্যের ক্ষতি

  • ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৬ অক্টোবর ২০১৯

নওগাঁর ধামইরহাটে গত দুদিনে টানা বর্ষণ ও হালকা বাতাসের কারণে রবি শস্য ও আমন ফসলের ক্ষতি হয়েছে। একটানা বর্ষণের ফলে আলু ও সরিষার ক্ষতি বেশি হয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টির সাথে হালকা বাতাস থাকায় কিছু এলাকায় কৃষকের আমন ধান ক্ষেত মাটিতে ন্যূয়ে পড়েছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে ক্ষতির চেয়ে উপকারের পরিমাণ অনেক বেশি।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার রাত পর্যন্ত উপজেলার সর্বত্র কখনও ভারী আবার কখন গুড়িগুড়ি বৃষ্টিপাত হয়। বৃষ্টির সাথে হালকা হাওয়া বইতে থাকে। গুড়িগুড়ি বৃষ্টি বর্ষণ এবং হালকা হাওয়ার কারণে কিছু এলাকার আমন ধানের গাছগুলো মাটিতে শুয়ে পড়ে। উপজেলার চকউমর গ্রামের কৃষক মো.শরিফুল ইসলাম বলেন, সুন্দরা মাঠে তার ২ একর কাটারীভোগ ও স্বর্ণা-৫ জাতের ধান গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। ধামইরহাট পৌরসভার জয়জয়পুর গ্রামের কৃষক মো.আনিছুর রহমান বলেন,তিনি ৪৯ শতাংশ জমিতে আতপ ধান লাগিয়েছেন। বৃষ্টি ও হালকা বাতাসের কারণে অর্ধেক ধানগাছ বর্তমানে মাটিতে পড়ে পানির মধ্যে ডুবে আছে। ধানের শীষ বের হওয়ার আগে বৃষ্টি ও ঝড়ের প্রভাবে আমন ধানগাছ পানির মধ্যে শুয়ে পড়েছে। এতে কৃষকরা ধানের ফলন বিপর্যয়ের আশংকা করছেন। তবে কিছু এলাকায় আগাম আলু চাষ ও সরিষা রোপন করেছেন কৃষক। ওইসব এলাকার আলু ও সরিষার গাছের ক্ষতি হয়েছে। এবার ধামইরহাট উপজেলার প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষ করেছে কৃষক।

এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো.সেলিম রেজা বলেন,অন্যান বারের তুলনায় এবার আমন ধানক্ষেত বেশ ভালো হয়েছে। রোগ বালাই নেই বললেই চলে। তাছাড়া নিয়মিত ও সঠিক সময়ে বৃষ্টি হওয়ায় ধানগাছগুলো লকেলকে ও তরতাজা আকার ধারণ করেছে। এবার জমিতে রেকর্ড সংখ্যক ফলন হবে। তবে গত দুদিনের বৃষ্টিতে ধানের ক্ষতি থেকে উপকার হয়েছে বেশি। সেসব ধান গাছ পড়ে গেছে আগামী ৪/৫ দিনের মধ্যে তা দাঁড়িয়ে যাবে। সামান্য জমির ধান গাছ মাটিতে পড়ে গেছে। রবি শস্যের চাষ এখনও পুরোপুরি শুরু হয়নি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads