• শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২০, ২৮ চৈত্র ১৪২৬
ads
জনপ্রিয় হয়ে উঠছে একই জমিতে পেয়াজ ও বেগুন চাষ

মহাদেবপুরে একই জমিতে দুই ফসলের চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন ইসহাক আলী

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

কৃষি অর্থনীতি

জনপ্রিয় হয়ে উঠছে একই জমিতে পেয়াজ ও বেগুন চাষ

  • মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নওগাঁর মহাদেবপুরে একই জমিতে পেয়াজ ও বেগুন চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন ইছাহক আলী । অল্প জমিতে অধিক ফসল চাষের লক্ষে ব্যাতিক্রমধর্মী চিন্তা থেকে এমন উদ্যোগ নেন বলে তিনি জানান। তিনি মহাদেবপুর উপজেলার চকগোবিন্দ গ্রামের একজন প্রান্তিক কৃষক। অল্প জমিতে বিভিন্ন ফসল চাষ করে নিজের চাহিদা মিটিয়ে অধিক ফসল বাজারে বিক্রয় করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে চান।

ইছাহক আলী জানান, গত রবি মৌসুমে পরীক্ষামূলক ভাবে এমন ফসল উৎপাদন করে সফলতার সন্ধান পেয়েছিলেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি রবি মৌসুমে চকগোবিন্দ গ্রামের কৃষক ইছাহক আলী তার পার্শ্ববর্তী ফাজিলপুর গ্রামের মাঠে ২৩ শতক জমিতে পেয়াজ ও বেগুন চাষ করেন। একই জমিতে দুটি ফসল চাষ করায় উৎপাদন খরচ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। পেয়াজের পনে ২হাত ডারার দুই ধারের শুল্লিতে রোপন করেছেন বেগুনের চারা। পেয়াজ ও বেগুন উভয় চারাগুলি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী চৈত্র মাসে পেয়াজ তোলার উপযোগী হবে এবং বেগুনের চারাগুলি বড় হয়ে বেগুন ধরতে শুরু করবে। পেয়াজ উঠানোর পরে শুল্লিতে রোপনকৃত বেগুনের চারাগাছগুলির গোরা মাটিদিয়ে বাধাই করে সেচ দিলেই বেগুন গাছে ফুল আসতে শুরু করবে।

চলতি মৌসুমের কিছুদিন পূর্বে থেকে হটাৎ পেয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ই পেয়াজ চাষে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠেছেন তিনি। ২৩ শতক জমিতেই তিনি ৩০ মন পেয়াজ ও ১০০ মন বেগুন উৎপাদনের আশা ব্যক্ত করেন তিনি। পেয়াজ ও বেগুনের দাম ভাল থাকায় স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন ইছাহক আলী। তিনি মনেকরেন দেশের প্রতিটি কৃষক যদি তাদের ফসলি জমির মধ্যে কিছু জমিতে পেয়াজ চাষ করেন, তাহলেই দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে পেয়াজ রপ্তানি করা সম্ভাব। একই জমিতে পেয়াজ ও বেগুন উৎপাদন ছাড়াও বাঁকি জমিতে ঢেরস, খিরা, মিষ্টি আলু, গম,আলু চাষ করেছেন তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অরুন চন্দ্র রায় বলেন, চলতি মৌসুমে ২২০ হেক্টর জমিতে পেয়াজের লক্ষ্যমাত্রা থাকলে ২৬০ হেক্টর জমিতে পেয়াজ চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষক উদ্বোদ্ধ হয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪০ হেক্টর অধিক জমিতে পেয়াজ চাষ করা সম্ভব হয়েছে এবং একই জমিতে অল্প খরচে দুটি ফসল পেয়াজ ও বেগুন চাষ অত্যন্ত লাভজনক।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান জানান, পেয়াজ, রসুন, আদাসহ সকল মসলা জাতীয় ফসল চাষের জন্য কৃষকদের অল্প সুদে কৃষি লোন প্রদান করতে উপজেলার সকল ব্যাংগুলোকে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads