• মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২০, ২০ শ্রাবণ ১৪২৭
ads
গাছে পাকা চাপালিশে লাল কোটবাড়ীর পাহাড়

ছবি: বাংলাদেশের খবর

কৃষি অর্থনীতি

গাছে পাকা চাপালিশে লাল কোটবাড়ীর পাহাড়

  • কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৬ জুন ২০২০

কুমিল্লার কোটবাড়ীজুড়ে রয়েছে ছোট বড় পাহাড়-টিলা। তার মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে চাপালিশ গাছ। এখন সেই গাছে পেকে ঝুলে আছে লাল-লাল চাপালিশ। কোটবাড়ী পাহাড়জুড়ে এখন রঙ্গিন চাপালিশের মৌ মৌ গন্ধ। চাপালিশ স্বাদে হালকা টক-মিষ্টি । পুষ্টিগুনে অন্যান্য। কোটবাড়ী থেকে প্রতিদিন সংগ্রহ করা পাকা চাপালিশগুলো জেলার চাহিদা মিটিয়ে চলে যাচ্ছে পাশ্ববর্তী জেলা সদরে।

সরেজমিনে কোটবাড়ী বিজিবি ক্যাম্প ও তার আশেপাশের এলাকাঘুরে দেখা যায়, গাছে ঝুলছে লাল লাল চাপালিশ। স্থানীয়রা সেসব চাপালিশ সংগ্রহ করে বস্তায় ভরছেন। ভ্যান ও পিকআপ ভ্যানে করে নগরীর রাজগঞ্জে নিয়ে আসছেন পাইকাররা। রাজগঞ্জ থেকে স্থানীয়রা চাহিদা মিটিয়ে চাপালিশ চলে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী জেলা সদরে।

পাহাড়ে চাপালিশ সংগ্রহ করা স্থানীয় যুবক আরিফুল ইসলাম জানান, এ বছর করোনার কারণে পাহাড়ে মানুষের পদচারনা কম। পাশাপাশি বায়ু দূষণ কম হওয়ায় চাপালিশের ফলন ভালো হয়েছে। খুচরা চাপালিশ প্রতিটি ৪০- ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। দেখতে অনেকটা ডেউয়া এবং ভেতর বাইরে কাঁঠালের মত হওয়ায় স্থানীয়রা চাপালিশকে ডেউয়া কাঁঠাল বলে চেনে। চাপালিশ স্বাদে হালকা টক-মিষ্টি। বীজ আগুনে পুড়িয়ে খাওয়া যায়। স্বাদে অনেকটা চীনা বাদামের মত। তবে নির্বিচারে কাটার কারনে চাপালিশ এখন বিপন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ হিসেবে পরিচিত।

এ বিষয়ে নিয়ে কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুরজিত চন্দ্র দত্ত বলেন, চাপালিশ শুধু পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ নয় এই গাছের কাঠ অনেক টেকসই ও মূল্যবান। প্রতি বছর সরকারীভাবে গাছের চারা বিতরন করা হয়। এ বছর আমরা সরকারী চারা বিতরনে অন্যান্য গাছের সাথে চাপালিশের চারা বিতরনের প্রস্তাব করবো। তাহলে হয়তো অনাগত আগামীতে বিপন্ন চাপালিশ বৃক্ষের ভরে উঠবে আমাদের জনপদ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads