• সোমবার, ১ মার্চ ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল চা উৎপাদন

ছবি: বাংলাদেশের খবর

কৃষি অর্থনীতি

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াল চা উৎপাদন

  • আতাউর রহমান কাজল, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
  • প্রকাশিত ২২ জানুয়ারি ২০২১

২০২০ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে মোট ৮৬.৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। ওই বছরে উন্নয়নের পথ নকশায় চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৫.৯৪ মিলিয়ন কেজি। গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মৌসুমে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০.৪৫ মিলিয়ন কেজি বেশি চা উৎপাদিত হয়েছে।

তবে এ বছর শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ ১০.৩০ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে। যা গত বছর ৯.৬০ মিলিয়ন কেজি ছিল। বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল জহিরুল ইসলাম জানান, কোভিড পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সব চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। এছাড়া উৎপাদনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলামকেন্দ্র চালু রাখা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, বাগানে কঠোরভাবে কোভিড প্রটোকল নিশ্চিতকরণ, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, রেশন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ফলে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।

তিনি জানান, ২০১৯ সালে বাম্পার ফলনের ফলে দেশে ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি চা অর্থাৎ ৯ কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল। দেশের চা-শিল্পের ১৬৫ বছরের ইতিহাসে এটি ছিল সর্বোচ্চ উৎপাদন। যে উৎপাদনের মাধ্যমে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েছিল বাংলাদেশ চা-শিল্প। ওই বছর চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ মিলিয়ন কেজি। সেসময় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১৬.০৭ মিলিয়ন কেজি চা বেশি উৎপাদনের মাধ্যমে রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ চা বোর্ড সূত্র জানায়, বর্তমান সরকারের ভিশন ২০২১-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চা শিল্পের উন্নয়নে ‘উন্নয়নের পথনকশা : বাংলাদেশ চা শিল্প’ নামে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে চায়ের উৎপাদন ১৪০ মিলিয়ন কেজিতে উন্নীত করতে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

 

 

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads