• শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

থাইল্যান্ডের গুহায় দুই সপ্তাহ ধরে আটকা থাকা ১২ ক্ষুদে ফুটবলার ও তাদের কোচ

ছবি সংরক্ষিত

এশিয়া

ক্ষমা চেয়ে খুদে ফুটবলারদের 'বাবা-মাকে' কোচের চিঠি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ০৭ জুলাই ২০১৮

ক্ষমা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন থাইল্যান্ডের গুহায় দুই সপ্তাহ ধরে আটকা থাকা ১২ কিশোর ফুটবল দলের কোচ।  শনিবার এ চিঠি প্রকাশ করে থাই নেভি।

ভারি বর্ষণজনিত কারণে গুহায় পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়া এবং এতে সেখানে অক্সিজেন হ্রাস পাওয়ার  প্রেক্ষাপটে থাইল্যান্ডের জনগণ অধীর আগ্রহ নিয়ে এ দলের নিরাপদে ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে।

গত ২৩ জুন গুহায় অভিযানের সময় বন্যার পানিতে আটকে যায় ১২ ফুটবলার ও তাদের কোচ। এরপর ১০ দিন তাদের কোনো খোঁজ ছিল না। পরে সন্ধান মিললেও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার ডুবুরির মাধ্যমে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি বলেন, এখানে আটকে থাকা সকল শিশু ভালো রয়েছে। আমি তাদের অনেক ভালো যত্ন নিচ্ছি।’ শনিবার নেভী সিলের ফেসবুক পেজে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়।

চিঠিতে এ ফুটবল কোচ বলেন, ‘নৈতিক সমর্থন জানানোর জন্য আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং এসব শিশুর বাবা-মা’র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।’

দেশটির চিয়াং রাই প্রদেশের থাম লুয়াং গুহায় গত ২৩ জুন কোচসহ ১২ ক্ষুদে ফুটবলার আটকে পড়ে। এর ৯ দিন পর ২ জুলাই ওই ফুটবল দলকে খুঁজে পায় থাই নিরাপত্তা বাহিনী। ফুটবলাররা প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে কোচের সঙ্গে গুহায় যায়। থাম লুয়াং গুহাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ কিলোমিটার। এটি থাইল্যান্ডের দীর্ঘতম গুহার একটি। এখানে যাত্রাপথের দিক খুঁজে পাওয়া কঠিন। সংযোগ পথও (করিডোর) বেশ সংকীর্ণ। ভারী বর্ষণ আর কাদায় থাম লুয়াংয়ের প্রবেশমুখ বন্ধ হয়ে গেলে তারা গুহার ভেতরে আটকা পড়ে। ভেতরে বন্যার পানি ঢুকে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এ পরিস্থিতিতে আটকে পড়া দলের সদস্যদের গুহায় থাকতে হতে পারে কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাসও! ওই কিশোরদের সঙ্গে এখন দুজন ডুবুরি নিয়মিত গুহায় থাকছেন। তারা তাদের ডুব সাঁতার ও অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করা শেখাচ্ছেন। ডুবুরিরা কিশোরদের পানির নিচে যে অক্সিজেন মাস্ক ব্যবহার করতে হয়, তার ব্যবহার শেখাতে শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads