• শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
করোনা মোকাবেলায় দৃষ্টান্ত নেপাল-ভুটান

সংগৃহীত ছবি

এশিয়া

করোনা মোকাবেলায় দৃষ্টান্ত নেপাল-ভুটান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২৯ এপ্রিল ২০২০

করোনাকে মোকাবেলা যাকে বলে পুরোটাই দেখিয়েছে ভারত বেষ্টিত নেপাল-ভুটান। প্রাকৃতিক কারণেই হোক আর কেরানা কালীন নিয়ম মেনে চলাই যাই বলি না না কেন এই দেশ দুটিতে এখনও পর্যন্ত কোনা করোনায় আক্রান্ত মৃত্যু নেই। আক্রান্তের সংখ্যাও হাতে গোনা। 
চীন ও ভারতে করোনার ভয়াল থাবা পড়লেও জনবহুল এ দুই দেশের চিত্র একেবারে আলাদা। হিমালয়ের বুকে থাকা দুটি দেশেই গত বছর ডিসেম্বর থেকে চলতি সপ্তাহে কোনও করোনা রোগীর মৃত্যু নেই।

২৪শে জানুয়ারি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। তিন মাসে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধশতের কিছু বেশি। করোনায় মৃত্যু হয়নি একজনেরও। 

শুরু থেকেই আক্রান্ত ও এর সংশ্লিষ্টদের প্রত্যেককে কড়া নজরদারির মধ্যে কোয়ারেন্টিনে রেখেছে নেপাল। আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ও সীমান্তে গড়ে তোলা হয়েছে হেল্থ ডেস্ক। ভারত ও চীনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রাখা হয়েছে কড়াকড়ি ভাবে। বাতিল রয়েছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। বন্ধ রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। লকডাউন করা হয়েছে পুরো দেশকে।

এক পা দূরে বাংলার আলিপুরদুয়ার জেলার জয়গায় রয়েছে করোনা আতঙ্ক। আর উল্টো দিকে ভয় থাকলেও অনেকটা নিশ্চিন্ত পরিবেশ ড্রাগনের দেশ ভুটানে। 

চারমাসে করোনা মোকাবিলায় ভুটান তৈরি করেছে নজির। বিশেষত গণস্বাস্থ্য কর্মসূচি ও জীবাণুনাশক ছড়িয়ে ভাইরাস প্রতিরোধে দুরন্ত সফলতা ড্রাগনভূমির। চারমাসে করোনায় ভুটানে ৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্য সুস্থ হয়েছেন ৫জন।

দুর্গম পার্বত্য এলাকাতেও পৌঁছে গিয়েছেন চিকিৎসকরা। চলছে জন প্রতি করোনা পরীক্ষা। করোনাভাইরাস রুখতে এই দেশে বাধ্যতামূলক ২১ দিনের কোয়ারেন্টাইন নিয়ম পালনেও ভুটানিদের নেই কোন কোন আলস্য। 

বন্ধ রয়েছ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সব বিদেশি পর্যটকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাও জারি করে ভুটান। বন্ধ রাখে সীমান্ত। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম স্থলবন্দর ফুন্টশোলিং জিরো পয়েন্টে প্রবল কড়াকড়ি। 

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads