• মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

ব্যাংক

তিন ব্যাংকের সব নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৭ জানুয়ারি ২০১৮

জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদে সোনালী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করে বিজ্ঞপ্তির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে রুলও জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ সচিবসহ চারজনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রাশেদুল হক খোকন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম ও মির্জা সুলতান আল রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্টি জেনারেল মোহাতার হোসেন সাজু।

আগামী ১২ জানুয়ারি ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে সমন্বিতভাবে এ তিন ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

এর আগে বগুড়ার আসাদুজ্জামান, কুমিল্লার আবু বকরসহ ২৮ জন পরীক্ষার্থী নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংক ৭০১টি শূন্য পদে কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা (ক্যাশ) নিয়োগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। ওই বছরের ২৬ জুলাই ৪২৩টি শূন্য পদে সিনয়র অফিসার ও ৩ আগস্ট ৭৩৬টি শূন্য পদে অ্যাসিসট্যান্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। কিন্তু এসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির নিয়োগ পরীক্ষা না নিয়ে গত বছরের ২৩ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক আটটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকের এক হাজার ৬৬৩টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (সাধারণ) শূন্য পদের জন্য সমন্বিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়।

এরপর ২৯ আগস্ট আবার তিন হাজার ৪৬৩টি কর্মকর্তা (সাধারণ) শূন্য পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। সর্বশেষ গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর দুই হাজার ২৪৬টি কর্মকর্তা (ক্যাশ) শূন্য পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে আগামী ১২ জানুয়ারি নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা।

আইনজীবী রাশেদুল হক খোকন বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব তিনটি ব্যাংকে ২০১৬ সালের প্রার্থীদের পরীক্ষা না নিয়ে ২০১৭ সালে আবার সার্কুলার জারি করায় নিয়োগ পরীক্ষার প্রার্থী বগুড়ার আসাদুজ্জামান, কুমিল্লার আবু বকরসহ ২৮ জন ২০১৭ সালের নিয়োগ পরীক্ষার সার্কুলার বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ সচিবসহ চারজনকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads