• বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
নিরক্ষর গ্রাহকের ব্যাংক লেনদেনে নীতিমালা

নিরক্ষর গ্রাহকের ব্যাংক লেনদেনে নীতিমালা

প্রতীকী ছবি

ব্যাংক

নিরক্ষর গ্রাহকের ব্যাংক লেনদেনে নীতিমালা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২২ মে ২০১৮

ব্যাংকে নিরক্ষর গ্রাহকরাও যেন সহজ ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে লেনদেন করতে পারেন এজন্য নীতিমালা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে নিরক্ষর গ্রাহকের ব্যাংক লেনদেনে প্রতারণার হার কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রমের আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নীতিমালায় সেটিও উৎসাহিত হবে।

গতকাল সোমবার ঘোষণা করা নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগের নির্দেশনা পরিপালন করে ব্যাংকগুলো নিরক্ষর গ্রাহকের হিসাব পরিচালনার জন্য গ্রাহকের আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া কিংবা চোখে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে পারবে, যাতে গ্রাহকরা সহজে ও নির্বিঘ্নে হিসাব পরিচালনা ও যেকোনো শাখা থেকে অর্থ উত্তোলন করতে পারেন। তবে এজন্য ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকের আঙুলের ছাপ যাচাই-বাছাই করার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হতে হবে এবং ব্যাংকের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, নিরক্ষর গ্রাহককে প্রতিবার ব্যাংকের শাখায় উপস্থিত হতে হবে এমন নয়। কোনো কারণে গ্রাহক উপস্থিত হতে না পারলে তার অনুরোধে ব্যাংকের মনোনীত কোনো ব্যক্তি গ্রাহকের কাছে যাবেন এবং চেক লিখে গ্রাহককে শুনিয়ে তার সম্মতিতে লেনদেন সম্পন্ন করে অর্থ হস্তান্তর করবেন।

চেক লেখার জন্য গ্রাহক যদি কাউকে শাখায় নিয়ে না আসেন তবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপকের মনোনীত ব্যক্তিকে নিরক্ষর গ্রাহকের চেক লিখে দিতে হবে। চেক লেখার বিষয়টি যাতে পরবর্তীতে তদারকি করা যায় এজন্য নিরাপত্তা ক্যামেরার সামনে হতে হবে। তবে নিরক্ষর গ্রাহকের নামে কোনো ডেবিট কিংবা ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের প্রান্তিক মানুষকে ব্যাংক হিসাবের আওতায় আনতে উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য কৃষক, তৈরি পোশাক খাত, সামাজিক কর্মসূচির আওতায় থাকা সুবিধাভোগী, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, পথশিশুদের ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads