• মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৫
ads
বেসরকারি ব্যাংকেও সুশাসন প্রশ্নবিদ্ধ!

দেশের বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর সুশাসনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে

সংরক্ষিত ছবি

ব্যাংক

বেসরকারি ব্যাংকেও সুশাসন প্রশ্নবিদ্ধ!

  • সাইদ আরমান
  • প্রকাশিত ২৭ মে ২০১৮

দেশের বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর সুশাসনও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। একসময় শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সুশাসন, অনিয়ম ও দুর্নীতি সামনে আসত। এখন বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতেও তা দেখা দিচ্ছে। পরিচালকদের নানা অনিয়ম, নিজেদের মধ্যে বিরোধ, নামে-বেনামে ঋণ বিতরণ, দৈনন্দিন কার্যক্রমে পর্ষদের সম্পৃক্ততা এখন বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে অহরহ ঘটছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে অনুমোদন করা ৯টি ব্যাংকের পরিচালনা ও সুশাসন ঘাটতি পুরো বেসরকারি খাতের সুশাসনকে আরো বেশি প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দুটি ব্যাংকের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা শুধু নতুন ব্যাংকগুলোতে নয়, বেসরকারি খাতের ব্যাংকের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতেও আরো তিনটি ব্যাংকের অনুমোদন দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সরকারের অভিপ্রায়ের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তবে নতুন ব্যাংকগুলো এখনো অনুমোদন পায়নি।

বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন একটি ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তার ব্যাংকের প্রস্তাবিত নাম বাংলা ব্যাংক। এরই মধ্যে আবেদনটি পর্যালোচনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ছাড়া সন্দ্বীপের নাগরিক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এমএ কাশেম পিপলস ব্যাংকের জন্য লবিং করছেন। তার আবেদনও পর্যালোচনায় রয়েছে। পুলিশ ব্যাংক নামে একটি ব্যাংকের অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট।

২০১২ সালে নতুন ৯টি ব্যাংক চালুর অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টকে সীমান্ত ব্যাংক চালু করার অনুমোদন দেওয়া হয়। বর্তমানে দেশি-বিদেশি ব্যাংক মিলিয়ে মোট ব্যাংকের সংখ্যা ৫৭টি। এর মধ্যে ৯টি বিদেশি, ৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত। আর বাকিগুলো দেশীয় মালিকানার ব্যাংক।

জানা গেছে, ডিজিটাল ব্যাংক বাংলাদেশ নামে আরো একটি ব্যাংকের জন্য আবেদন এসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে। ডিজিটাল ব্যাংক বাংলাদেশ স্থাপনের উদ্যোক্তাদের মধ্যে কেএম হাসান নামে এক ব্যক্তি জড়িত, যার বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়াতে। তিনি প্রস্তাবিত ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে আবেদন করেছেন। আর ব্যবস্থাপনা পরিচালক-এমডি হিসেবে নাম প্রস্তাব করা হয়েছে আবদুর রহমান নামের এক ব্যক্তির। জানা গেছে, তিনি জনতা ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে।   

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads