• শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads
খেলাপি ঋণ আদায়ে বিশেষ সেল

ছবি : সংগৃহীত

ব্যাংক

খেলাপি ঋণ আদায়ে বিশেষ সেল

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৩ জুলাই ২০১৯

খেলাপি ঋণ আদায়ে বিশেষ সেল গঠন করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকের একজন উপব্যবস্থাপনা পরিচালককে (ডিএমডি) প্রধান করে এই তদারকি সেল গঠন করতে বলা হয়েছে। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে। দেশে বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় এক লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে অবলোপনকৃত ঋণের পরিমাণ যোগ করলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। খেলাপি ঋণের প্রায় অর্ধেকই হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে। যাচাই-বাছাই না করে ঋণ বিতরণের কারণে ঋণ আদায় না হওয়াতে উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে খেলাপি। নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামাল দায়িত্ব নিয়ে খেলাপি ঋণ আর এক টাকাও বাড়বে না ঘোষণা দিলেও কথা রাখতে পারেননি তিনি।    

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোর অপরাপর সব শ্রেণিকৃত ঋণসহ ১০০ (একশ) কোটি টাকা এবং তদুর্ধ্ব স্থিতি বিশিষ্ট শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাবগুলো নিবিড় তদারকি একান্ত আবশ্যক। ওই শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাবগুলো তদারকির লক্ষ্যে নিম্নোক্ত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। সব ব্যাংকসংশ্লিষ্ট উপব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্রধান করে প্রয়োজনীয়সংখ্যক কর্মবল নিয়ে ১০০ কোটি টাকা এবং তদুর্ধ্ব স্থিতিবিশিষ্ট শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাবগুলো তদারকির লক্ষ্যে একটি বিশেষ তদারকি সেল গঠন করবে।

প্রজ্ঞাপনে সেলের কার্যপরিধি স্পষ্ট করা হয়েছে। ১০০ কোটি টাকা এবং তদুর্ধ্ব স্থিতিবিশিষ্ট শ্রেণিকৃত ঋণের আদায় বৃদ্ধিকরণ এবং ওই শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ও খেলাপি ঋণগ্রহীতার সংখ্যা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া। ত্রৈমাসিক বিবরণীতে বর্ণিত শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাবগুলোর আদায় অগ্রগতিসহ যাবতীয় তথ্য স্ব স্ব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে অবহিত করা। এ ছাড়া, ওই ত্রৈমাসিক বিবরণী বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ফরমেটে প্রতি ত্রৈমাসিক অন্তে পরবর্তী মাসের শেষ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের টাস্কফোর্স সেলে দাখিল করতে হবে। এ বিবরণীতে প্রদর্শিত শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ কিংবা অন্য কোনো কারণে নিয়মিত বলে গণ্য হলেও নিয়মিত হওয়ার তারিখ  থেকে পরবর্তী ৮টি ত্রৈমাসিক পর্যন্ত তা বিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত রাখা।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ওই বিবরণীর যথাযথ পর্যালোচনা নিশ্চিত করবে। এ ক্ষেত্রে, ঋণের বকেয়া আদায়ের নিমিত্তে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একটি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে এবং পরিচালনা পর্ষদ নিয়মিতভাবে ওইদ্ধ কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads