• বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
মন কাড়লেন নিকিতা

নিকিতা দত্ত

সংগৃহীত ছবি

বলিউড

মন কাড়লেন নিকিতা

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৭ জুলাই ২০১৯

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিকিতা দত্ত। ২০১২ সালে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়ার ফাইনাল পর্বে যাওয়ার সুবাদে জনপ্রিয়তা পান। এরপর অভিনয় শুরু করেন ছোটপর্দায়। ‘ড্রিম গার্ল’ সিরিয়ালে অভিনয়ের মাধ্যমে ছোটপর্দায় অভিষেক হয় তার। ‘এক দোজে কা ভাসতে’ সিরিয়ালে নান্দনিক অভিনয় করে আলোচিত হন।

বলিউডে অভিষেক হয় ২০১৪ সালে ‘লেকার হাম দিওয়ানা দিল’ ছবিতে। এরপর ২০১৮ সালে ‘গোল্ড’ ছবিতে অভিনয় করলেও বলিউডে নিজের ক্যারিশমা দেখাতে ব্যর্থ হন নিশিতা। এ বছর বলিউডে কপাল খুলল তার। ব্লকবাস্টার ছবি ‘কবির সিং’-এর ব্যবসায়িক সফলতায় সাফল্যের হাওয়া লেগেছে নিকিতার ক্যারিয়ারেও।

চলতি বছরে বলিউডের এখন পর্যন্ত ব্যবসাসফল ছবির তালিকায় প্রথম অবস্থানে ‘কবির সিং’। গত ২১ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটি এখন পর্যন্ত ২৬০ কোটি রুপি আয় করেছে।

ছবির দ্বিতীয় ভাগে নিকিতা দত্তের আগমন। পর্দায় তার উপস্থিতি খুব বেশি ছিল না। কিন্তু যে সময়টুকু পর্দায় ছিলেন, তিনি শুধুই মুগ্ধতা ছড়ালেন। দর্শক হূদয় ছুঁয়ে নিলেন নিকিতা।

মূল নায়িকা কিয়ারাকে শহীদ না ভুললেও, ভুলে যেতে বসেছিলেন দর্শকরা! শহীদ-নিকিতার রোমান্স মুগ্ধতা ছড়িয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ‘কবির সিং’ ছবিতে নিকিতার চরিত্র একজন চলচ্চিত্র তারকার। যে কিনা পায়ে ব্যথা নিয়ে একটি হাসপাতালে আসেন। সেখানে চিকিৎসক শহীদ কাপুর। প্রথম দর্শনেই দুজনের মধ্যে একধরনের ভালো লাগা তৈরি হয়। নায়িকা তার সহকারীকে বলেন, ডাক্তারের ফোন নাম্বার নেওয়া হয়েছে কি না। তখনই আঁচ করা যায় গল্পে নতুন রসায়ন আসছে। পর্দায় নিকিতার আগমন অনর্গল শহীদের মদ পান ও ধূমপান দেখা থেকে কিছুটা হলেও দর্শকদের স্বস্তি এনে দেয়।

ইউটিউবেও কবির সিং ছবির প্রকাশিত গানের মধ্যে শহীদ-নিকিতা জুটির ‘ইয়া এনা হ্যায় তু হে’ সবচেয়ে বেশিবার দেখেছেন দর্শকরা।

২৮ বছর বয়সী অভিনেত্রী নিকিতা দত্ত জানালেন, তিনি নিজেও জানতেন না ছবিটি তাকে এতটা দর্শকপ্রিয়তা দেবে। তাকে বলা হয়েছিল বিরতির পর তিনিই হবেন বিশেষ আকর্ষণ। পরিচালকের কথায় অবশ্য তিনি তখন খুব একটা পাত্তা দেননি। কিন্তু ছবি মুক্তির পর পুরোটা দেখার পর তিনি নিজেও অভিভূত।

২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া তেলেগু হিট ‘অর্জুন রেড্ডি’র হিন্দি রিমেক ‘কবির সিং’। পরিচালক হিসেবে আছেন মূল ছবির পরিচালক সেই সন্দীপ রেড্ডি।

ছবির গল্পে দেখা যায়, একজন নেশাগ্রস্ত যুবক শহীদ কাপুর। পেশায় একজন চিকিৎসক। সাবেক প্রেমিকার বিয়ে হয়ে যাওয়ার ফলে নিজের প্রতি ঘৃণা ধরে যায় যুবকের। সেখান থেকেই নিয়ন্ত্রণহীন জীবনযাপন করতে শুরু করেন তিনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads