• শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১ কার্তিক ১৪২৪
ads

বলিউড

আমিরের বিরুদ্ধে খেপেছেন তনুশ্রী

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

তনুশ্রী দত্তের যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। তার সাহসী প্রতিবাদে কেঁপে উঠেছিল পুরো বলিউড। তনুশ্রী দত্তই প্রথম বলিউডে ‘হ্যাশট্যাগ মিটু’র শুরু করেন। প্রায় ১০ বছর আগে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের বিষয়ে মুখ খোলেন। বলেন, ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবি করতে গিয়ে তার সহ-অভিনেতা তাকে যৌন হেনস্তা করেছেন। আর সেই সহকর্মীর নাম নানা পাটেকার।

তারপর এই ঘটনা নিয়ে বলিউড তিন ভাগে ভাগ হয়ে গেল। একদল নানা পাটেকারের পক্ষ নিল, একদল তনুশ্রী দত্তের আর তৃতীয় দল গালে হাত দিয়ে মজা দেখতে লাগল যে জল কত দূর গড়ায়, কোথায় গড়ায়। দিন শেষে রায় এলো নানা পাটেকারের পক্ষে।

তবে এই মিটু আন্দোলনে এতদিন শরিক ছিলেন বলিউড তারকা আমির খানও। নিজের সেই অবস্থান থেকে তিনি সরে এসেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তনুশ্রী দত্ত।

ছবির সেটেই পরিচালক সুভাষ কাপুরকে তার স্ত্রী-সন্তানের সামনে চড় মেরেছিলেন গীতিকা তিয়াগি, যৌন নিপীড়নের অভিযোগে। এটা ২০১৪ সালের ঘটনা। তখন আমির খান বলেছিলেন, তিনি আর কখনো ‘জলি এলএলবি’খ্যাত এই পরিচালকের সঙ্গে কাজ করবেন না। তবে ঘোষণা এসেছে, সুভাষ কাপুরের নতুন ছবিতে অভিনয় করবেন আমির খান। শুধু তা-ই নয়, ছবিটির অন্যতম প্রযোজক আমির খানের স্ত্রী কিরণ রাও।

হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির খান সুভাষ কাপুরের সঙ্গে ছবি করার বিষয়ে সাফাইও গেয়েছেন। বলেছেন, ‘আইনে এখনো প্রমাণিত হয়নি যে তিনি অপরাধী। যতক্ষণ রায় না আসে, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি কোনো কাজ করতে পারবেন না, হাত-পা গুটিয়ে ঘরে বসে থাকবেন, তা হতে পারে না।’ শুধু তা-ই নয়, কেন তিনি সুভাষ কাপুরের ছবিতে অভিনয় করবেন, সেই বিষয়ে লিখিত বক্তব্যও প্রকাশ করেছেন।

আমির খানের লেখা পড়ে বেজায় খেপেছেন সেই তনুশ্রী দত্ত। ডেকান ক্রনিকলকে জানিয়েছেন, ‘লেখাটা পড়লাম। সুভাষ কাপুরের সঙ্গে কাজ করার পক্ষে নানা রকম যুক্তি দেখিয়েছেন। একজন নারী যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। বলিউড উল্টো নিপীড়িতকে একঘরে করে রাখছে। আর নিপীড়নকারীকে দিচ্ছে ‘ক্লিন চিট’। এ রকম অবস্থায় কীভাবে বলিউডের সবাই নাকে তেল দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারে?’

তনুশ্রী আরো বলেন, ‘মনে হচ্ছে, যৌন নিপীড়নের প্রতি যথেষ্ট সমর্থন আছে। আমিও বলিউডের অংশ ছিলাম। কিন্তু যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনায় এখন আমি বলিউড থেকে জীবিকা উপার্জনের পথ হারিয়েছি। আমি মেধাবী অভিনয়শিল্পী। কিন্তু এখন আমি সব কাজ হারিয়েছি। আমার ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে। কোনো বড় পরিচালক তার ছবিতে আর আমাকে নেন না। সমস্ত মানসিক চাপ, অসম্মান আর অপমান কেবল আমার।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads