• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

আগামী অর্থবছরের (২০১৮-১৯) অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে ২৩ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে

প্রতীকী ছবি

বাজেট

স্বাস্থ্য খাতে ২৩ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

  • বাসস
  • প্রকাশিত ০৭ জুন ২০১৮

আগামী অর্থবছরের (২০১৮-১৯) বাজেটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য পরিচালন ও উন্নয়ন খাতে মোট ২৩ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার দুপুরে আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেট বক্তৃতায় এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী। 

এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পরিচালন ব্যয় ৯ হাজার ১২৫ কোটি টাকা ও উন্নয়ন ব্যয় ৯ হাজার ৪০ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার ক্যলাণ বিভাগের পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১২৮ কোটি টাকা ও উন্নয়ন ব্যয় ধারা হয়েছে ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

স্বাস্থ্যখাতে বিগত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা বেশি অর্থ বরাদ্দ বেড়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দ হয়েছিলো ২০ হাজার ২৪ কোটি টাকা।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে আমাদের লক্ষ্য হল সবার জন্য সুলভে মানসম্মত স্বাস্থ্য ও পরিবার ক্যলাণ সেবা নিশ্চিত করা। মোট ২৯ টি অপারেশনাল প্ল্যানের আওতায় ২০১৭-২০২২ মেয়াদে সেক্টরওয়াইড কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে মা ও শিশুর জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ও স্বাস্থ্য সেবা, সবার জন্য মানসম্মত সাধারণ ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা, সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নতুন রোগ নিয়ন্ত্রণ, উন্নত ও দক্ষ ওষুধ খাত এবং দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়ন করা হবে।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, চলমান মাতৃভাউচার কার্যক্রমকে আরো ২০ টি উপজেলায় সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন হাসপাতালের অবকাঠানো সম্প্রসারণ, শয্যাসংখ্যা বাড়ানো, চিকিৎসা উপকরণের সংস্থান এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের কাজ অব্যাহত আছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীন জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য দুইপর্যায়ে মোট ৯ হাজার ৭৯২ জন চিকিৎসক নিয়োগ পক্রিয়া শুরু করেছি। হাসপাতালে ডাক্তার এবং নার্সের অনুপাত ২:১ এ নিয়ে আসার লক্ষ্যে আরও ৪ সিনিয়র স্টাফ নার্স নিয়োগের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও ২০২১ সালের মধ্যে প্রসবকালীন শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার শূণ্যের কোঠায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে ৬০০ মিডওয়াইফ নিয়োগ চুড়ান্ত করা হয়েছে। এছড়া চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে প্রতিটি বিভাগে পর্যায়ক্রমে একটি করে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা আমাদের আছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads