• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
করপোরেট করহার কমানোর সিদ্ধান্ত অনিয়ম উসকে দেবে

‘জাতীয় বাজেট ২০১৮-১৯ সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ছবি : বাংলাদেশের খবর

বাজেট

সিপিডির বাজেট পর্যালোচনো

করপোরেট করহার কমানোর সিদ্ধান্ত অনিয়ম উসকে দেবে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৮ জুন ২০১৮

আগামী অর্থবছরের (২০১৮-১৯) প্রস্তাবিত বাজেটে করপোরেট কর কমানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। তাদের মতে, ব্যবসায়ীদের চাপে করপোরেট কর কমানোর সিদ্ধান্ত অনিয়ম উসকে দেবে।  

সিপিডির মতে, এবারের প্রস্তাবিত বাজেট মধ্য ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর চাপ বাড়াবে। ব্যাংক খাতের নৈরাজ্য দূর না করে উল্টো ব্যাংকগুলোর কথায় কর্পোরেট কর কমানোর সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে আজ শুক্রবার আয়োজিত জাতীয় বাজেট ২০১৮-১৯ সিপিডির পর্যালোচনা শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানায় সিপিডি।

ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, নতুন অর্থবছরের বাজেটে কর্পোরেট কর কমানো হয়েছে।  এক্ষেত্রে মালিকপক্ষেরই বেশি লাভ হবে। নৈরাজ্য বন্ধ না করে ব্যাংক ব্যবসায়ীদের চাপে করপোরেট করহার কমানোর সিদ্ধান্ত অনিয়ম উসকে দেবে।  গেল পাঁচ বছরে ভালো প্রবৃদ্ধি বাড়লেও আয়ের বৈষম্য বেড়েছে। গরিব মানুষের সঞ্চয় করার ক্ষমতা কমেছে। কেন এ কর কমানো হয়েছে তার পেছনে যৌক্তিক ও প্রশাসনিক কোনো কারণ দেখছি না। ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্যের মধ্যে এ ধরনের করপোরেট কর ছাড় দেওয়া ঠিক হয়নি। 

বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষমাত্রা ধরে রাখা কঠিন হবে, রাজস্ব লক্ষ্য পূরণে করের বোঝা বাড়বে বলে মনে করেন তিনি। 

নতুন বাজেটে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশে আনার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আর তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আরোপিত কর বিদ্যমান ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads