• মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯, ৪ আষাঢ় ১৪২৫
ads
জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২ শতাংশ

প্রতীকী ছবি

বাজেট

জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২ শতাংশ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৩ জুন ২০১৯

আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ তথ্য জানান। এর আগে বিকেল ৩টায় একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরুর পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমোদনক্রমে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী।

প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত এক দশকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ক্রমাগত ঈর্ষান্বিত হারে বেড়েছে। চলতি অর্থবছর শেষে ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে প্রত্যাশা করি।

আগামী বাজেটে ৮ দশমিক ২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য ধরা হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরে ছিল ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ নাম দিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। আর ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা।

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আহরণের যে লক্ষ্যমাত্রা (৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা) ধরা হয়েছে তা দেশের মোট জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, এনবিআর-বহির্ভূত কর ১৪ হাজার ৫০০ কোটি, কর ব্যতিত প্রাপ্তি ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটের পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।

ঘাটতি অর্থায়নে প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদেশিক উৎস (অনুদানসহ) থেকে ৬৮ হাজার ১৬ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস হতে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা সংগ্রহের কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads