• বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৫
ads

মহানগর

‘দাড় কাউয়ামুক্ত’ আওয়ামী লীগ দাবি, ছবি ভাইরাল

  • আসিফ উল আলম সোহান
  • প্রকাশিত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

‘দাড় কাউয়া মুক্ত মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগ চাই’ দাবি সম্বলিত একটি বিলবোর্ড আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের একাংশের পক্ষ থেকে এটি টানানো হতে পারে বলে মনে করছে এলাকার অনেকেই।

মোহাম্মদপুর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জানান, দলে অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের দীর্ঘদিনের ঘোষণা ছিল।  এবার মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও এ দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। তারা ব্যানার ফেস্টুন করে অনুপ্রবেশকারীদের দলে না নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ সড়কের শংকর আবাসিক এলাকার বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে ৩০ ফুটেরও বেশি দৈর্ঘ্যের বিলবোর্ডটি সাঁটানো হয়েছে। ‘দাড় কাউয়া মুক্ত মোহাম্মপুর থানা আওয়ামী লীগ চাই’ লেখাটির ডানপাশেই বিশাল একটি দাঁড় কাকের ছবি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকাল বেলাই ধানমন্ডির ওই সড়কে বিলবোর্ডটি দেখতে পায় স্থানীয়রা। এরপর ছবিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। আমি এখনই এ বিষয়ে খোঁজ নেব।’
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ‘কাউয়া’ শব্দটি জনপ্রিয় করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। গত বছরের মার্চে সিলেটে বিভাগীয় তৃণমূল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন যে, সংগঠনে, ‘কাউয়া’ (কাক) ঢুকছে। তিনি বলেন, ‘প্রচার লীগ, তরুণ লীগ, কর্মজীবী লীগ, ডিজিটাল লীগ, হাইব্রিড লীগ আছে। কথা হাছা, সংগঠনে কাউয়া ঢুকছে। জায়গায় জায়গায় কাউয়া আছে। পেশাহীন পেশাজীবী দরকার নেই। ঘরের ভেতর ঘর বানানো চলবে না।  মশারির ভেতর মশারি টানানো চলবে না।’

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে বিরোধ আছে।  গত ২৭ ডিসেম্বর মহানগর উত্তরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে ২৬টি থানা, ৪৯টি ওয়ার্ড ও ৯টি ইউনিয়নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়। এরপর বিভিন্ন এলাকায় কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তরের কাজ শুরুও করেছিলেন তারা। কমিটি দেয়ার পর নানা বিতর্ক উঠে।  ত্যাগী ও প্রকৃত রাজনীতিকদের বাদ দিয়ে পকেটের লোক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠে। এরপর গত ২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ক্ষুব্ধ নেতারা। নেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই দিন কমিটি স্থগিত করেন তিনি।
মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তো কমিটি স্থগিত করেছেন। এখনতো এ নিয়ে কথা বিতর্ক ওঠার কথা না।’

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads