• মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
আমের ন্যায্যমূল্য পেতে শিল্প স্থাপনে গুরুত্ব দিতে হবে

দেশের বিভিন্ন জেলায় আম উৎপাদন বেড়েছে

ছবি : সংগৃহীত

পণ্যবাজার

আমের ন্যায্যমূল্য পেতে শিল্প স্থাপনে গুরুত্ব দিতে হবে

  • বাসস
  • প্রকাশিত ০৭ জুলাই ২০১৮

গ্রীষ্মকালীন ফল আমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে দেশে আম ভিত্তিক শিল্প স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ব্যাপক হারে আম চাষ হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বাড়লেও চাষিরা উৎপাদিত আমের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না।
খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মূল্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমের ব্যাপক বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকায় এই ফল চাষে চাষিরা অধিক আগ্রহী হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের প্রধান আম উৎপাদনকারী উত্তরাঞ্চলের তিনটি জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী এবং নাটোর ছাড়াও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলাসহ অন্যান্য জেলায়ও এখন ব্যাপক হারে আম চাষ হচ্ছে। দেশে আমের এই মৌসুম খুবই অল্প সময়ের জন্য। অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা এবং রফতানির সুযোগ কম থাকায় চাষিরা আমের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। বাংলাদেশে অদূর ভবিষ্যতে আম চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে। এর সুফল ঘরে তুলতে ব্যাপক প্রচারনা চালানোর এখনই সময়। প্রথমে আমাদেরকে স্থানীয় বাজারে গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার আম ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠায় বেসরকারি সেক্টর যাতে এগিয়ে আসতে পারে, এ জন্য অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।আম থেকে জুস এবং অন্যান্য আইটেমের মতো খাদ্য বহুমুখিকরনের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদেরকে বিদেশে বিশেষ করে ইউরোপে আমের রফতানি বাজার সৃষ্টি করতে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। ইউরোপীয় বাজারে আম রফতানি করতে প্রথমে নিরাপত্তা ও প্যাকেজমান বজায় রাখাসহ সকল শর্ত বজায় রাখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ২০১৫ সালে যুক্তরাজ্যের বাজারে আম রফতানি করে। ভাল মানের আমের উচ্চ মূল্য পেতে সে সময়ে ব্যাপক বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর একজন মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাজ্যে আম রফতানি করে বৈদেশিক মূদ্রা আয় করার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছিল।সরকার সহায়তাও দিয়েছিল। এ বছরে তিনটি জেলার ৯ টি উপজেলার ১৮০ জন চাষি আম সরবরাহ করতে নিবন্ধিত হয়েছিল। অতঃপর নিরাপত্তা এবং প্যাকেজ মান বজায় রাখার মাধ্যমে আম রফতানি হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মোহসিন বলেন, দেশে এ বছরে ১,৭৪,২০৮ হেক্টর জমিতে ২১ লাখ ৪৩ হাজার ৪৩৩ টন আম উৎপাদিত হয়েছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এ বছরে সর্বোচ্চ পরিমান আম উৎপাদিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাষিদের আম চাষে আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষা দিচ্ছি। চাষিরা এখন আমাদের বিজ্ঞানীদের উৎপাদিত উচ্চ ফলনশীল আম চাষ করছে। ফলে প্রতি বছরে আম চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নাটোর রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জের চাষিরা আধুনিক পদ্ধতিতে আম চাষ করে সুফল পাচ্ছে। ফলে দেশে পর্যায়ক্রমে আম চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads