• সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৫
ads
বেড়েছে মাংস ভোজ্যতেলের দাম, কমেছে চাল পেঁয়াজ

বেড়েছে মাংস ভোজ্যতেলের দাম, কমেছে চাল পেঁয়াজ

ছবি : সংগৃহীত

পণ্যবাজার

বেড়েছে মাংস ভোজ্যতেলের দাম, কমেছে চাল পেঁয়াজ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

শীতকালীন সবজির দাম স্থিতিশীল থাকলেও রাজধানীতে বেড়েছে সয়াবিন (ভোজ্য) তেল ও মুরগির মাংসের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতি কেজি সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা ও মুরগির মাংসের দাম ১০ টাকা বেড়েছে। এখনো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছ। তবে বাজারগুলোতে দাম কমেছে সব ধরনের চাল ও পেঁয়াজের। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজারে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

শীতের সবজির পাশাপাশি আগাম পাওয়া যাচ্ছে গ্রীষ্মকালীন সবজি। আগাম সবজির দাম বেশি হলেও স্থিতিশীল রয়েছে অন্যান্য সবজির দাম। অপরিবর্তিত রয়েছে ডাল, ডিম, চিনি, আটা, গুঁড়াদুধসহ সব ধরনের মুদি পণ্যের দাম।

বাজারগুলোতে প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল ৮৮ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮২ টাকা। আর ৫ লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকায়। লেয়ার মুরগি (ছোট) বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকা থেকে ২০৫ টাকা পিস আর মাঝারি সাইজের পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। বড় সাইজের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়।

নাজিরশাইল চাল গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল কেজিপ্রতি ৬০ টাকায়, বর্তমানে ৫৮ টাকা। মিনিকেট চাল ৫৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে ৫২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বর্ণা গত সপ্তাহে ছিল ৪২ টাকা বর্তমানে ৪০ টাকা, বিআর ২৮ প্রতি কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে ৩৮ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মুরগির দাম বাড়লেও বাজারে ডিম, গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। গরুর মাংস আগের মতোই ৪৮০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা কেজি এবং খাসির মাংস ৭০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগির ডিম প্রতি ডজন ৯৫ টাকা, হাঁসের ডিম ১৫৫, দেশি মুরগির ডিম ১৭০ টাকা ডজন বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় বেশিরভাগ সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আগাম সবজির মধ্যে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা। এছাড়া শীতের সবজি লাউ মানভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শিম ১৫ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ২০ থেকে ৩০ টাকা, ফুলকপি ১০ থেকে ১৫ টাকা পিস, বাঁধাকপি ১৫ থেকে ২৫ টাকা পিস, শালগম ১০ থেকে ২০ টাকা কেজি এবং মূলা ১০ থেকে ২০ টাকা, পাকা টমেটোর কেজি ১৫ থেকে ৩০ টাকা, নতুন আলু ১৫ টাকা ও কাঁচামরিচ ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১৫ টাকা আঁটি, লাল ও সবুজ শাক বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক পাওয়া যাচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায় ও সরিষা শাক ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে গত সপ্তাহের চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। রুই মাছ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি। পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। টেংরা মাছের কেজি ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকা। এ ছাড়া তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়াল ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিতল ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, আইড় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, বাইলা ৭০০ টাকা, বাইম ৬০০ টাকা, পোয়া ৫০০ ও মলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। তবে ইলিশের দাম বেড়েছে হালিতে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা।

আর আগের সপ্তাহের মতোই রয়েছে মুদি পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকা, প্যাকেট ৩২ টাকা, চিনি আমদানিকৃত ৫০, দেশি লাল চিনি ৫৬, ডাল ৪০ থেকে ৯০ টাকা, মানভেদে গুঁড়াদুধের প্যাকেট ২৭০ থেকে ৫৫০ টাকা, সরিষার তেলের কেজি ১২০ টাকা, লবণ ৩০ থেকে ৩৫ ও পোলাওর চাল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা কেজি।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads