• শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
টেকনাফে একদিনে এসেছে ৯০০ টন পেঁয়াজ

ফাইল ছবি

পণ্যবাজার

টেকনাফে একদিনে এসেছে ৯০০ টন পেঁয়াজ

  • টেকনাফ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৫ অক্টোবর ২০১৯

মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে শত শত টন পেয়াঁজ আমদানি হলেও বাজারে কোনো প্রভাব পরেনি। এই বন্দর দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ৯০০ টন পেয়াঁজ খালাস করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসের ২৪ দিনে ১৪ হাজার ৬৮৯ দশমিক ৭৬৭ টন পেয়াঁজ খালাস করা হয়।

টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা জানান, বাজার স্বাভাবিক রাখতে মিয়ানমারে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। তবে সেদেশে দাম বাড়লে আমদানি কমে যেতে পারে।

টেকনাফ শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানায়, বৃহস্পতিবার মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে আসা ৯০০ টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। খালাস হওয়া পেঁয়াজ ট্রাকভর্তি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।

চলতি মাসে সব মিলিয়ে ১৪ হাজার ৬৮৯ দশমিক ৭৬৭ টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। এছাড়া গত সেপ্টেম্বর মাসে খালাস হয়েছে ৩ হাজার ৫৭৩ দশমিক ১৪১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ। এত বিপুল পরিমাণ পেয়াঁজ আমদানি হলেও স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে আসছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, টেকনাফ পৌরসভায় বাজারে প্রতি কেজি বড় সাইজের পেয়াঁজ ৮০ থেকে ৯০ টাকা আর ছোট সাইজের ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ সব পেঁয়াজ আড়তদারের কাছ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা যথাক্রমে  ৭৫ ও ৬৫ টাকায় কিনে আনেন।

ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট টেকনাফ এর ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ দ্রুত খালাস হওয়ার জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট তদারকি করছে। ব্যবস্থাপনাগত দিক থেকে কোনো ধরনের সমস্যা নেই। বিশেষ করে পেঁয়াজ খালাস বিলম্ব না ঘটানোর জন্য প্রতিদিন ছয় শতাধিক শ্রমিক রাত দিন কাজ করে যাচ্ছে।

টেকনাফ স্থল বন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবছার উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার ৯০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। এ সব পেয়াঁজের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে দেশের বিভিন্ন স্থানে সবরাহ করা হয়। দেশের সংকট মোকাবেলায় ব্যবসায়ীরা পেয়াঁজ আমদানীর দিকে ঝুঁকে পড়েছে। গত সেপ্টেম্বরে রাজস্ব আদায়ে মাসিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে হিমশিম খেতে হয়েছে। তবে চলতি মাসেও রাজস্ব আদায় নিয়ে আশঙ্কা করছেন তিনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads