• শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
মুরগির দামে পেঁয়াজ!

সংগৃহীত ছবি

পণ্যবাজার

মুরগির দামে পেঁয়াজ!

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৮ অক্টোবর ২০১৯

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম আর পেঁয়াজের দাম একই। সপ্তাহ ধরে প্রতি কেজি ১১০ টাকা বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগি এখন ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ৯০-৯৫ টাকা দরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকা কেজি দরে। মাসখানেক ধরেই পেঁয়াজের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকায় অনেকে পেঁয়াজ কেনাও কমিয়ে দিয়েছে। এরই মধ্যে আবার নতুন করে শুরু হয়েছে বাজারে অস্থিরতা।

গতকাল পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দফায় দফায়। পাইকারি বাজারে এক দিনের মধ্যেই তিনবার বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দাম। এর প্রভাবে খুচরা বাজারে ৯০-৯৫ টাকা দরের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০-১২৫ টাকা কেজি দরে।  জানা গেছে, পেঁয়াজের ঊর্ধ্বমুখী দামে এবার শুধু ভোক্তা নয়, খুচরা বিক্রেতারাও শঙ্কিত। রাজধানীর শুক্রাবাদের মুদি দোকানি আমিনুল ইসলাম গতকাল সকালে দোকান খোলার আগে কারওয়ান বাজার থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে আনেন। তিনি জানান, দেশি পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বাড়তি। ভোরে ১০০ টাকা কেজি দরে তিনি পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনে এনেছেন। এখন ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। আমিনুলের কথা শুনে পাশের দোকানি শাওন মিয়া বলেন, আমি ৭টার সময় পেঁয়াজ কিনছি ১০৫ টাকা করে। ওরা বলছে, দাম নাকি আরো বাড়বে।  তিনি ১১৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন বলে জানান।

এদিকে পেঁয়াজের সংকট কাটতে আরো এক মাস লাগবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গতকাল রোববার দুপুরে নগরের আউটার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড এক্সপোর্ট ফেয়ারের (বিআইটিএফ) উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আশাবাদী এক সপ্তাহের মধ্যে মিসরের পেঁয়াজ যদি আসে তাহলে হয়তো আমরা ৮০ টাকার মধ্যে পাব। তবে কষ্টটা বোধ হয় আমাদের আরো একটা মাস করতে হবে। কারণ আমাদের নিজেদের নেই। এবার আমাদের শিক্ষা হয়েছে। আমি কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। উনি বলেছেন খুব চেষ্টা করবেন পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়াতে। আমাদের যেন আর বাইরের ওপর নির্ভর করতে না হয়। এবার হয়তো  কষ্ট হবে। আর কখনো কোনো কোনো কষ্ট নতুন দুয়ার খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। আশা করি, আগামী বছর অবস্থার উন্নতি হবে।

বাজার মনিটরিং প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মজুতকারীদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছি। সমস্যাটা হচ্ছে হঠাৎ করে চাপ দিলে তারা বিগড়ে গেলে মানুষের কষ্ট আরো বাড়বে। এদিকে চাপের কারণে কিছু পেঁয়াজ পচেও গেছে। আমরা বাজারটা মনিটরিং করতে যাই। কিন্তু কাউকে জেলখানায় নিয়ে ভরব সেই রকম মানসিকতা নেই। আমরা তাদের প্রোঅ্যাকটিভ করতে চাই, বোঝাতে চাই। তাতে কিছু কাজ হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, সমস্যাটা আরো এক মাস থাকবে। মিসরের পেঁয়াজ ঢুকলে দাম কমে আসবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads