• বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২ ফাল্গুন ১৪২৭
ভোজ্যতেলের যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা হবে

সংগৃহীত ছবি

পণ্যবাজার

ভোজ্যতেলের যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা হবে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৪ জানুয়ারি ২০২১

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনে ভোজ্য তেলে তিন স্তরের ভ্যাটের পরিবর্তে এক স্তরের ভ্যাট নির্ধারণের জন্য চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। বিষয়টি বিবেচনার জন্য সুপারিশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আরেকটি চিঠি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর)। কিন্তু এ বিষয়ে এনবিআরের কাছ নিয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত আসায় আবারো তাদের চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি।

আজ রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সাথে সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দাবি তোলা হয়েছিলো ভোজ্যতেলে তিন বা চার স্তরে যে ডিউটি, ভ্যাট, ট্যাক্স নেওয়া হয়; সেটা সরকারের রাজস্ব না কমিয়ে এক জায়গা থেকে নেওয়ার ব্যবস্থা করা। এর ফলে ব্যবসায়ীদের সময় বাঁচবে এবং হয়রানিও কমবে। পাশাপাশি এতে সরকারেরও রাজস্ব কমবে না।

টিপু মুন্সি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা এনবিআরকে চিঠি দিলেও কোনো সাড়া পাইনি। আজকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আমরা তাদেরকে আবারো চিঠি দেবো। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মনে করে এটা এক জায়গায় হওয়া উচিত। এজন্য আমরা তৎপর আছি।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভোজ্যতেলের যৌক্তিক মূল্য কোন তারিখে কেমন হওয়া উচিত তা নির্ধারণে মন্ত্রণালয় গঠিত কমিটি কাজ করছে। ভোজ্যতেল নিয়ে দেশে যে সংকট তৈরি হয়েছে

সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের তেলের বাজার ৯০ শতাংশ আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে দাম বাড়লে দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ে। ছয় মাস আগে ৭০০ ডলারের তেল বর্তমানে ১১৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এতে দেখা যায় ৭৫ শতাংশ দাম বেড়েছে। আমাদের কিন্তু এতটা বাড়েনি। এটাকে কীভাবে সমন্বয় করা যায়, সেজন্য দাম নির্ধারণের যে কমিটি আছে তাদের বলা হয়েছে, তারা চুলচেরা বিশ্লেষণ করে একটা মানসম্মত দামের তালিকা করে দেবে।’

মন্ত্রী জানান, দাম নিয়ে যাতে কোন ধরণের সমস্যার সৃষ্টি না সেজন্য প্রতি মাসে একটি সভা করে যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের আইডিয়া দেয়া হবে। মন্ত্রী তেলের দাম বৃদ্ধির পেছনে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্মের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেছি। পণ্যের হাত বদলের কারণে যেন বাজারে প্রভাব না পড়ে। বিশেষ করে খোলা তেলের বিষয়ে। আমাদের বাজারে ৭০ থেকে ৭২ শতাংশ খোলা তেল, বাকিটা বোতলজাত তেল। উৎপাদন পর্যায়ে ২ শতাংশ, তার পরের ধাপে ৩ শতাংশ এবং খুচরা পর্যায়ে ৭ শতাংশ লভ্যাংশের কথা আগে থেকেই ঠিক করা আছে। সেটা যদি তারা পায় তাহলে তাদের আপত্তি নেই।

মন্ত্রী বাজার পরিস্থিতি ঠিক হতে কিছুটা সময় লাগবে উল্লেখ করে বলেন, এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীরাও কথা দিয়েছে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে বলে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads