• বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads

নীলফামারির জলঢাকার যুবলীগ নেতা আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুরের গ্রেফতারের দাবিতে সড়কে বসে অবস্থান নেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তাফা

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

যুবলীগ নেতাকে গ্রেফতারের দাবিতে সাড়ে তিন ঘণ্টা সড়কে অবস্থান জলঢাকার এমপির

  • নীলফামারী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৬ আগস্ট ২০১৮

নীলফামারীর জলঢাকায় শোক দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠান চলাকালে যুবলীগ নেতার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার প্রতিবাদ এবং লাঞ্ছনাকারীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা।

পরে সাড়ে তিন ঘণ্টা পর আওয়ামী লীগে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপির আশ্বাসের প্রেক্ষিতে সড়ক থেকে সরে যান এমপি গোলাম মোস্তফাসহ তার সমর্থকরা। বুধবার রাত আটটার দিকে জলঢাকা জিরোপয়েন্ট মোড় সংলগ্ন বঙ্গবন্ধু চত্বরে মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাষী জানায়, বুধবার রাত আটটার দিকে জলঢাকা শহরের বঙ্গবন্ধু চত্বরে শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিয়োগীতার আয়োজন করে উপজেলা সম্মিলিত সাংষ্কৃতিক জোট।

অনুষ্ঠান চলাকালে সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বক্তব্য দেওয়ার সময় উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর তার লোকজন নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে এসে সংসদ সদস্যকে লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এসময় সংসদ সদস্যের সমর্থকরা এর প্রতিবাদ করলে উত্তেজনা দেখা দিলে পুলিশ আলোচনা সভা বন্ধ করে দেয়। পরে সংসদ সদস্য তার সমর্থকদের নিয়ে যুবলীগ নেতা বাহাদুরকে গ্রেফতারের দাবিতে সভাস্থল সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট মোড়ে অবস্থান নেন।

এদিকে জলঢাকার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সংসদ সদস্য অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এসময় বিপুল সংখ্যক র‌্যাব-পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।

সবশেষে রাত সাড়ে বারোটার দিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার মোবাইলে ফোন দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সংসদ সদস্যকে সড়ক থেকে সরে যাবার অনুরোধ করলে সংসদ সদস্য তার সমর্থকদের নিয়ে সরে যান।

এবিষয়ে নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বলেন,‘সুন্দরগঞ্জের প্রয়াত এমপি লিটনের ওপর যেভাবে আঘাত করা হয়েছিল, হামলা চালানো হয়েছিল সে কায়দায় আজকে ঘোষণা দিয়ে আমার ওপর হামলা চালিয়েছে যুবলীগ নেতা সন্ত্রী আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর। সে বার বার আমার চরিত্র হননের চেষ্টা করেছে। আমি একাধিকবার তার বিরুদ্ধে থানায় জিডি করেছি।’

তিনি বলেন, আজকের ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী তাৎক্ষণিক তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে আমাকে সঙ্গে নিয়ে সড়কে অবস্থান নেয়। আব্দুল ওয়াহেদ একজন সন্ত্রাসী, আমি তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।

তবে সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা আব্দুল ওয়াহেদ বাহাদুর।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রুহুল আমীন বলেন,‘ দুই পক্ষ যাতে মুখোমুখি অবস্থান নিতে না পাওে এজন্য অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি এমপি মহোদয়ের নিরাপত্তার নিশ্চিত করা হয়েছে। এমপি মহদয়সহ  বিক্ষুদ্ধরা যে দাবি তুলেছেন সেটিও আমরা ক্ষতিয়ে দেখছি। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads