• শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৪
ads
নির্যাতিতাকে নিতে চায় পরিবার, চায় বিচারও

চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার হয় প্রতিবন্ধী এক নারি

প্রতীকী ছবি

সারা দেশ

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে ধর্ষণ

নির্যাতিতাকে নিতে চায় পরিবার, চায় বিচারও

  • টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জেলার ভূঞাপুরে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড় বাসস্ট্যান্ডে চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী নারীর পরিচয় মিলেছে। কুষ্টিয়ার মিরপুর থানাধীন এলাকার স্বজনরা গতকাল রোববার টাঙ্গাইল কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করেছেন। নির্যাতিতাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন তারা। একই সঙ্গে ধর্ষকের সর্বোচ্চ সাজার জন্য আইনি লড়াইও চালানোর কথা জানিয়েছেন। নির্যাতিতার ভাই ও বড় ভগ্নিপতি

নির্যাতিতাকে নিতে চায় পরিবার, চায় বিচারও জানান, ঈদুল আজহার ২০ দিন আগে তিনি (ভুক্তভোগী) কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। ঈদের আগে থেকেই বাড়ি চলে যেতে চাচ্ছিলেন। ঈদের পরদিন কাউকে না বলে বোনের বাসা থেকে চলে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে পরে তার বোন বাদী হয়ে ঢাকার সবুজবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। গত শনিবার টাঙ্গাইল থেকে পুলিশের বার্তা পেয়ে কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার পুলিশ তাদের বাড়িতে গিয়ে খবর দেয়। খবর পেয়ে শনিবার রাতেই তারা বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় চলে আসেন। সেখানে ছবি দেখে ওই নারীকে শনাক্ত করেন।

ঢাকার একটি হাউজিং কোম্পানিতে নিরাপত্তা প্রহরী পদে চাকরিরত ওই নারীর ভাই জানান, তিনি তার বোনকে নিরাপত্তা হেফাজত থেকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যাবেন। এ জন্য আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। সেই সঙ্গে বোনের ধর্ষকদের উপযুক্ত শাস্তির জন্য আইনি লড়াই করবেন। তাদের আইনজীবী শাহিন সিদ্দিকী জানান, ওই নারীকে তার ভাইয়ের হেফাজতে দেওয়ার জন্য আজ সোমবার টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে আবেদন জানানো হবে।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্তে টহলরত পুলিশের দল ওই এলাকার নৈশপ্রহরীর মাধ্যমে জানতে পারে, বাসস্ট্যান্ডে একটি বাসের ভেতর নারীর কান্না শোনা যাচ্ছে। এ খবর পেয়ে ওই টহল দল বাসটিতে গিয়ে প্রতিবন্ধী এক নারীকে উদ্ধার করে। এ সময় ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ওই বাসের চালকের সহকারী নাজমুলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরদিন (শুক্রবার) উপপরিদর্শক নুরে আলম বাদী হয়ে বাসের চালক আলম খন্দকার ও আটক নাজমুলকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় চালক আলম খন্দকারের বিরুদ্ধে ওই নারীকে ধর্ষণ এবং সহকারী নাজমুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নাজমুলকে ওই মামলায় টাঙ্গাইল বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হয়। এ সময় তিনি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আদালতে জবানবন্দি দেন। শনিবার ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে আদালতে হাজির করে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হয়। আদালত তাকে গাজীপুরের পুবাইলে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads