• শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ

ছবি : বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

২৬ বছরেও বাড়েনি জনবল

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত

  • খায়রুল আহসান মানিক, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সংকটে পড়েছে। রয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থশ্রেনীর কর্মচারীর সংকটও। এতে ব্যাহত হচ্ছে ১৬০আসনের এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম।

মেডিকেল কলেজ সূত্র জানায়,১৯৯২সালে কুমিল্লার কুচাইতলীতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। ৫০ জন শিক্ষার্থীর বিপরিতে যে জনবল নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিলো, ২৬ বছরে এসেও জনবল বাড়েনি বরং কমেছে। বর্তমানে এ কলেজে প্রতি বছর ১৬০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এ কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা আরো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে ৬১৪জন শিক্ষার্থীর কলেজটিতে অধ্যাপক,সহযোগী অধ্যাপক,সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকের ১৪৬টি পদের মধ্যে ৫৮টি পদ শূন্য রয়েছে। এনাটমিতে অধ্যাপক,সহযোগী অধ্যাপক,সহকারী অধ্যাপক নেই। প্রভাষক আর গেস্ট টিচার দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া হচ্ছে। ফিজিওলজিতে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক,সহকারী অধ্যাপক নেই। বায়োকেমিস্ট্রিতে সহযোগী অধ্যাপক আছে, অধ্যাপক,সহকারী অধ্যাপক নেই। কমিউনিটি মেডিসিনে সহকারী অধ্যাপক আছে, অধ্যাপক,সহযোগী অধ্যাপক নেই। ফরেনসিক মেডিসিনে দুইজন মাত্র প্রভাষক রয়েছে। প্যাথলজিতে সহকারী অধ্যাপক আছে, অধ্যাপক,সহযোগী অধ্যাপক নেই। মাইক্রো বায়োলজিতে সহকারী অধ্যাপক আছে, অধ্যাপক,সহযোগী অধ্যাপক নেই। ফার্মাকোলজিতে সহকারী অধ্যাপক আছে, অধ্যাপক,সহযোগী অধ্যাপক নেই।

মেডিকেল কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন,১ম ও ২য় বর্ষে এসব বেসিক সাবজেক্ট গুলো পড়ানো হয়। শুরুতে শিক্ষকের সংকটের কারণে আমাদের কোর্স শেষ করায় সমস্যায় পড়তে হয়। এখানে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের অতিথি শিক্ষক এনে পাঠদান করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার মান নিম্নগামী হয়ে পড়বে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ড. মহসিন-উজ-জামান চৌধুরী বলেন,আমরা বার বার আবেদন করার পরও পদের সংখ্যা বাড়েনি। মঞ্জুর করা পদ গুলোও খালি। গেস্ট টিচার দিয়ে চালিয়ে নিচ্ছি। এতো সংকট স্বত্ত্বেও আমরা শিক্ষা দানের চেষ্টা করছি। এতে ভালো রেজাল্টও হচ্ছে। প্রয়োজনীয় শিক্ষক পেলে আমরা আরো ভালো রেজাল্ট করতে পারবো। তিনি আরো বলেন, এখানে শিক্ষকদের বাসস্থান নেই। নেই মসজিদ ও অডিটরিয়াম। এবিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি প্রয়োজন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads