• মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১ কার্তিক ১৪২৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

সাটুরিয়া হানাদার মুক্ত দিবস আজ

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

সাটুরিয়া হানাদার মুক্ত দিবস আজ

  • মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২০ নভেম্বর ২০১৮

আজ ২১ নভেম্বর মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া পাক হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলার দামাল ছেলেরা পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে সাটুরিয়াকে মুক্ত করে।  উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদারদের কাছে আব্দুল কাদের সিদ্দিকী ‘বাঘা সিদ্দিকী’ নামে এক মহাতঙ্ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী উপজেলার খন্দকার আব্দুল বাতেন বাহিনীর নেতৃত্বে গঠিত ‘বাতেন বাহিনী’ অনেক জায়গায় হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। চারদিক থেকে আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক বাহিনী।

যুদ্ধকালীন সময়ে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতাপূর্ণ যুদ্ধের কাহিনী দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছিল। বীর মুক্তিযোদ্ধা বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গঠিত ও পরিচালিত ‘কাদেরিয়া বাহিনীর’ বীরত্বের কথা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।

১৯৭১ সালের ২০শে নভেম্বর রাত ১২টা ১মিনিটে টাঙ্গাইলের বাতেন বাহিনী সাড়ে ৪হাজার মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে সাটুরিয়ায় অবস্থান করে চারদিক ঘিরে ফেলে। রাতভর চলে গোলাগুলি। এসময় পাকবাহিনীর গুলিতে মো. জিয়ারত হোসেন নামে এক মুক্তিযোদ্ধা নিহত ও কমপক্ষে অর্ধশতাধিক মুক্তিযোদ্ধা আহত হয়। পরদিন ২১ নভেম্বর দুপুর ২টার সময় পাকবাহিনী ও রাজাকারেরা পিছু হটে।

সাটুরিয়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক বাতেন বাহিনীর ফিল্ড কমান্ডার মো. দেলোয়ার হোসেন হারিজ বলেন, ক্রমান্বয়ে সংগঠিত হতে থাকে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা। জীবন বাজি রেখে সাটুরিয়ার বিভিন্ন স্থানে ঘটানো হয় বাঙ্কার বিস্ফোরণ। তিনি পাকবাহিনীর চারটি বাঙ্কার গুড়িয়ে দিয়ে সাটুরিয়াকে হানাদারমুক্ত করেন। মুক্তি বাহিনীর এ সকল আক্রমণ ও গোলাবারুদ ধ্বংস এবং অস্ত্র উদ্ধারে পাক সেনারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

সাটুরিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বলেন, সাটুরিয়া উপজেলা  হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে বুধবার সকালে র‌্যালী, দুপুরে আলোচনা সভা ও বিকেলে খেলাধুলাসহ দিন ব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি  আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads