• সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
৭ জন মিলে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা

প্রতীকী ছবি

সারা দেশ

সখীপুরে বিধবা নাজমা হত্যার রহস্য উন্মোচন

৭ জন মিলে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা

  • সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২২ এপ্রিল ২০১৯

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিধবা নাজমা ওরফে ধলাবানু (৪২) হত্যার সাড়ে ছয় মাস পর খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মুঠোফোনের সূত্র ধরে গত শনিবার রাতে উপজেলার মুচারিয়া পাথার গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেনকে (২২) গ্রেফতারের পর আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়।

গতকাল রোববার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত সখীপুরে আলমগীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামসুল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিমা বংকী বেতুয়াপাড়ার বাসায় বিধবা নাজমা একাই থাকতেন। এ সুযোগে খুনিরা সাতজন মিলে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। চিৎকার করায় ওই বিধবার গলায় গামছা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ধষর্ণের পর তাকে শ্বাসরোধ করে খুন করে হাত, পা ও মুখ বেঁধে গোসলের কক্ষে রেখে পালিয়ে যায়। খুনিরা তার মুঠোফোন ও গায়ের স্বর্ণালঙ্কারও লুট করে নিয়ে যায়। ওই মুঠোফোনের সূত্র ধরেই গত শনিবার আলমগীরকে গ্রেফতার করা হয়। হত্যায় জড়িত অন্য আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ অক্টোবর বিকেলে সখীপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাড়ির টয়লেট থেকে নাজমার অর্ধ্বগলিত লাশ উদ্ধার করা হয় । ওইদিন রাতেই নাজমার ছোট ছেলে আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads