• সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে লৌহজংয়ের বিপণিবিতান

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে লৌহজংয়ের বিপণিবিতান

  • লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৯ মে ২০১৯

ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, লৌহজংয়ের বিভিন্ন মার্কেটে ততই বাড়ছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। পছন্দের পোশাকটি কিনতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপণিবিতান গুলোতে ঘুরছেন ক্রেতারা। আর জমজমাট হয়ে উঠেছে উপজেলার প্রতিটি শপিং সেন্টার ও ফুটপাত। সরেজমিনে লৌহজংয়ের হলদিয়া বাজারের বিক্রমপুর সুপার মার্কেট, সিমান্ত সুপার শপ, লৌহজং জগৎবিবি কমপ্লেক্স, আব্দুল রাজ্জাক শপিং কমপ্লেক্স, মোকলেস টাওয়ার, মাওয়া আবু নাসের সুপার মার্কেট, হলদিয়া মোসলেম উদ্দিন কমপ্লেক্স, নওপাড়া সুপার মার্কেটসহ কমপক্ষে ১০টি মার্কেটে ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদ সামনে রেখে ওই মার্কেটগুলোর প্রতিটি বিপণি বিতানে চলছে বেচাকেনার ধুম। বিক্রমপুর সুপার মার্কেটে সিমান্ত সুপার শপের মালিক আতাউর রহমান খাঁন জানালেন, ঈদের বাজার গতবছরের তুলনায় এবার বেশ জমে উঠেছে। মেয়েদের ও ছোট শিশুদের জামা-কাপড় বিক্রি হচ্ছে খুব বেশি। দাম নাগালের মধ্যে থাকার কারণে মানসম্মত পছন্দের জিনিস গ্রাম থেকে কিনতে পেরে ক্রেতারাও খুশি। আর দিন যত যাচ্ছে ক্রেতা ও বিক্রির পরিমাণ ততই বাড়ছে। আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে ক্রেতার সংখ্যা দিগুণ হয়ে যাবে। ক্রেতা ইসরাত লাবণ্য নামে এক গৃহবধূ জানান, সবার জন্য পোশাক কিনতে পাড়ায় খুশি তিনি। তবে দাম নিয়ে কিছুটা ক্ষোভ আছে ক্রেতাদের মধ্যে। লৌহজং জগৎবিবি কমপ্লেক্স মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা লিজা আক্তার বলেন, এবার সব পোশাকের দাম গতবছরের তুলনায় বেশি। তিনি তাঁর মায়ের জন্য একটি জামদানি শাড়ি কিনেছেন। শাড়িটির দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ গতবছর একই রকমের শাড়ি কিনেছেন মাত্র ৩ হাজার টাকায়। মোকলেস টাওয়ার মার্কেটের দোকানদার সোহেল শেখ বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে নারী-পুরুষ ক্রেতারা তাদের দোকানে ঈদের কেনাকাটা করতে আসছেন। মেয়ে ক্রেতারা লং ড্রেসটা খুব বেশি নিচ্ছেন। ইন্ডিয়ান থ্রি-পিস, কামিজ, লেহেঙ্গার চাহিদাটাও কম না। এছাড়া টপস্, উন ও ফ্রক স্টাইলের জামাও বেশ বিক্রি হচ্ছে। ইনবক্স শপের বিক্রেতা বলেন, ক্রেতার পরিমাণ গতবছরের তুলনায় অনেক বেশি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভীড় একটু বেশি থাকে।

তরুণরাও তাদের পছন্দের ঈদ পোশাকটি কিনতে উপজেলার বিভিন্ন বিপণিবিতানগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিনতে শুরু করেছেন পছন্দের রং ও ঢংয়ের জামাটি। তরুণদের বেশি পছন্দ পাঞ্জাবি-পায়জামা, টি-শার্ট ও জিন্সপ্যান্ট।

এদিকে পোশাক কেনা শেষে সবাই ঘুরছেন জুতা ও কসমেটিকসের দোকান ও শোরুমে। জুতা পছন্দের ক্ষেত্রে বাটা, এপেক্স, লোট্ট ও ক্যাজুয়াল, ডি-ডালাস রয়েছে সবার শীর্ষে। জুতা বিক্রেতা জসিম ঢালী বলেন, নারী ক্রেতারা তাদের পোশাকের সাথে মিল রেখে স্যান্ডেল, সু, নাগরা, পেন্সিল হিল ও স্লিপার কিনছেন। ছেলেরা পাঞ্জাবি, প্যান্ট ও টি-শার্টের ফ্যাশনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ক্যাজুয়াল ও ফ্লাট জুতা নিচ্ছেন। পোশাকের রং ও ধরণের সাথে মিল রেখে তরুণী ও নারীরা কিনছেন বিভিন্ন গহনা। গলার সেট, হাত ঘড়ি, পায়েল, ব্রেসলাইট, মাথার তিকলি, সানগ্লাস ও বাহারি রঙের চুড়ি। ইউএনও কাবিরুল ইসলাম খান বলেন, প্রতিটি মার্কেটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন জায়গায় অতিরিক্ত দাম, ভেজাল পণ্য বিক্রিতে জেল জরিমানা করছি। তিনি আরো জানান, চলছে সার্বক্ষণিক তদারকি যাতে বাজারে মানহীন পণ্য বিক্রি, দাম বেশি নেওয়া ও ক্রেতাদের হয়রানি বন্ধ করা যায়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads