• শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৫
ads
শেরপুরে ঋণের চাপে বাড়ছে আত্মহত্যা!

প্রতীকী ছবি

সারা দেশ

শেরপুরে ঋণের চাপে বাড়ছে আত্মহত্যা!

  • আব্দুল ওয়াদুদ, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৬ জুন ২০১৯

শেরপুরে গরিবদের ব্যবহার করে বেড়েই চলছে সুদের ব্যবসা। আর সুদে টাকা নেওয়ায় ঋণের বোঝা বইতে না পেরে কয়েক দিনের ব্যবধানে দুইজন আত্মহত্যা করেছেন। জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ পেচুইল গ্রামের আ. মান্নানের স্ত্রী লাভলী ঋণের টাকা নিয়ে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হলে সইতে না পেরে গত ২০ জুন গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করে, অন্যদিকে ১৫ জুন সন্ধ্যায় দুবলাগাড়ী পুকুরপার এলাকার দিনমজুর রঞ্জুর স্ত্রী সুদের ওপর টাকা নিয়েছেন।

সময়মতো পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু পাওনাদার চাপ সৃষ্টি করায় দিশাহারা হয়ে নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে রশি লাগিয়ে আত্মহত্যাচেষ্টা করেন। এতে তিনি ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও লাভলী, স্বপন ও নিতাই বাঁচতে পারেননি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গরিব মানুষের সংসারে টাকা প্রয়োজন হলে সুদের ওপর প্রয়োজন মেটাতে ঋণ দেন কয়েকজন বিত্তবান। আর এই সংসারে প্রয়োজনে নেওয়া স্বপনের ১৫ হাজার টাকায় মাসে সুদ গুনতে হয় ৩-৪ হাজার টাকা। একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে সুদের ওপর টাকা নিয়ে ঋণের বোঝা বইতে না পেরে একপর্যায়ে দিশাহারা হয়ে নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে রশি লাগিয়ে গত ১৩ জুন দুবলাগাড়ী পুকুরপার এলাকার আজিজুলের ছেলে স্বপন (২৬) আত্মহত্যা করেন। গত ২৬ মে দুপুরে উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের চকখানপুর গ্রামের চৈতন্য চন্দ্র ব্যাপারীর ছেলে নিতাই চন্দ্র ব্যাপারী (৩৮) নামে এক ব্যক্তি একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে সুদের ওপর টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে তিনিও গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ওসি হুমায়ুন কবীর জানান, নিহত ব্যক্তিদের প্রচুর ঋণ রয়েছে তা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads