• বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ১ শ্রাবণ ১৪২৭
ads
৪৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় একটি অবৈধ ছয়তলা ভবন গুরিয়ে দিচ্ছেন বিআেইডাব্লিউটিএ

ছবি : বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

বুড়িগঙ্গা বাঁচাতে অভিযান

৪৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

  • কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৬ জুলাই ২০১৯

ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর দুই তীর দখলমুক্ত করতে ৪র্থ দফার তৃতীয় পর্যায়ের ২য় দিন (৪৪তম) কার্যদিবসে চলে উচ্ছেদ অভিযান।

আজ মঙ্গলবার ১৬ জুলাই সকাল ৯টায় ঢাকার কেরানীগঞ্জের পোস্তাগোলা ব্রীজের দক্ষিন পাশ হাসনাবাদ এলাকা থেকে শুরু হয়ে দোলেশ্বর পর্যন্ত গিয়ে ৫টায় উচ্ছেদ অভিযান শেষ হয়। এসময় ছোট বড় ৪৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ৩একর জায়গা দখলদারদের হাত থেকে অবমুক্ত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাবিবুর রহমান হাকিম ঢাকা নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন , উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান, সহকারি পরিচালক নূর হোসেন, সহকারি পরিচালক রেজাউল করিম।

অভিযান চলাকালিন সময় উচ্ছেদ অভিযানে বাঁধা দেয়ার কারণে ডগইয়ার্ড থেকে ৭ জনকে আটক করে। আটগ্লোবাল হেভি ওয়েট ক্যামিকেল কোম্পানীর তিনজন সিনিয়র অফিসার মাসুদুর রহমান (৪০) ,অফিসার জহিরুল হায়দার (৪০), মিশিং অপারেটর সবুজ আলী (৩৩) হাতে নাতে আটক। মোবাইল কোর্টের বিজ্ঞ হাকিম গ্লোবাল হেভি ওয়েট ক্যামিকেল কোম্পানীর তিনজনকে ৫০হাজার করে দেড় লক্ষ টাকা, বসুন্ধরা গ্রুপের দ‘জন কর্মচারী রাহাত খান ও দেওয়ান আতিকুর রহমান (৫০) কে ৫০ টাকা করে ১লক্ষ টাকা স্থানীয় ২জনকে ২০০০টাকা করে জরিমানা করা হয়। মোট ২লক্ষ ৫৪হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআইডব্লিউটিএ এর যুগ্ন পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন জানান,দখলকারীরা যতই শক্তিশালী হোক আমরা নদীর দু‘পাশ উদ্ধার করবই। আবার আগামীকাল বুধবার সকাল ৯ টা থেকে কদমতলী-দলেশ্বর খেয়াঘাটের দলেশ্বর প্রান্তে (বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণপ্রান্তে) হতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে।এ অভিযান ২৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

তিনি আরো বলেন, ৪র্থ দফার তৃতীয় পর্যায়ের ২য় দিন ৪৪ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৭তল ১ টি ,এক তলা ৫ টি,আধা পাকা ১৭ টি, টিনের ঘর ২১ টি,মোট ৪৪ টি অবমুক্ত জায়গা ৩একর।এসময় অবৈধ কাজে ব্যবহার করা ১টি স্কাইবেটর বেকু ও স্তুপ করে রাখা পাথর নিলামে মোট ৭৮লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হয়। তিনি বলেন, আমাদের এ অভিযান ২৫ জুলাই পর্যন্ত ফতুল্লার আলীগঞ্জ পর্যন্ত চলবে।

বিআইডব্লিউটিএ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাবিবুর রহমান হাকিম বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ নদী রক্ষার জন্য আমরা কাজ করছি। সীমানা পিলার অতিক্রম করে নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদ করা হচ্ছে। সরকার নদীর দু‘পাশ সুন্দর ও নান্দনিক করার জন্য ১০ বছরের ডেল্টাপ্লান নিয়েছে । তিনি আরও বলেন, উচ্ছেদকৃত জায়গায় টেমস নদীর আদলে ওয়াকওয়ে, ইকোপার্ক, গাইডওয়াল ও তীর প্রটেকশন নির্মান করা হবে। সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য বৃক্ষরোপনসহ বসার জায়গা বাতি সাজানো হবে । দখলদার যত ক্ষমতাশালী হোক, সেটা দেখা হবে না। নদীর জায়গা নদীতে ফিরিয়ে দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর। উল্লেখ্য, ২৯ জানুয়ারী থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে প্রায় ৫ হাজার অবৈধ স্থাপনাসহ দেড়শ একর জমি উদ্ধার ও সাড়ে ৫কেটি টাকার মালামাল নিলামে বিক্রি করেছে বিআইডব্লিউটিএ।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads