• রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
গৌরনদীতে দম ফেলার সময় নেই কামারপাড়ায়

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

গৌরনদীতে দম ফেলার সময় নেই কামারপাড়ায়

  • গৌরনদী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৯ আগস্ট ২০১৯

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে  গৌরনদীতে দম ফেলার সময় নেই দা, বঁটি, চাকু, চাপাতি, কুড়ালসহ লোহার যন্ত্র তৈরির কারিগরদের। মুসলিম সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আজহার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ব্যস্ততা বাড়ছে কামার পল্লীতে। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই কামারপাড়ায়।

পশু কোরবানির মধ্যদিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। আর কোরবানির এসব পশু কাটাকাটিতে প্রয়োজন ধারালো দা, বঁটি ও ছুরি। ঈদকে কেন্দ্র করে গৌরনদীর কামারপল্লীগুলো এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কয়লার চুলোয় আগুনের ফুলকি আর গরম লোহায় ওস্তাদ-সাগরেদের ছন্দময় পিটাপিটিতে মুখর হয়ে উঠেছে কামারশালাগুলো। দিন শেষে রাতেও বিরাম নেই এসব কারিগরদের। দিন রাত বিরামহীন পরিশ্রম করে কারিগররা তৈরী করছে দা, বঁটি, চাকু, ছুরি, চাপাতি ও কুড়াল। অধিকাংশ দোকানিই তাদের নিজেদের তৈরি জিনিসপত্র বিক্রি করছেন। আবার কোরবানীর পশুর চামড়া ছেঁড়ার কাজটি সহজে সম্পন্ন করতে অনেকে পুরনো ছুড়ি সংস্কারের জন্য নিয়ে আসছেন কর্মকারদের কাছে।

উপজেলার প্রধান বন্দর টরকী কামারপাড়ার কামার মহাদেব চন্দ্র ও মেদাকুলের অনিল কর্মকার জানান, কিছু খুচরা ব্যবসায়ী তাদের তৈরি করা যন্ত্রপাতি পাইকারী কিনে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি করছেন। তবে এ মৌসুমে কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ী রয়েছে যারা শুধু ঈদের সময় ব্যবসা করে থাকেন।

তিনি আরো জানান, ঈদকে সামনে রেখে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার যন্ত্রপাতি বিক্রি হচ্ছে।কোরবানি সংশ্লিষ্ট কাজের অর্ডারই এখন বেশি বলে জানান তিনি।

কারিগর বিমল চন্দ্র  জানান, এ পেশায় পরিশ্রমের চেয়ে পারিশ্রমিক কম। তাইতো সময়ের বির্বতনে কোন কোন কর্মকার জীবিকার তাগিদে পূর্ব-পুরুষের পেশা ছেড়ে অন্য কাজে ঝুঁকে পড়ছেন। সারাদিন আগুনের পাশে বসে কাজ করতে হয়। তবুও পূর্ব-পুরুষের রেখে যাওয়া এই পেশাই উৎসাহের কমতি নেই কামার পল্লীর এসব কর্মকারদের।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads