• শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬
ads
এগিয়ে চলছে উন্নয়ন কাজ

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

জাজিরা পৌরসভা

এগিয়ে চলছে উন্নয়ন কাজ

  • আবুল হোসেন সরদার, শরীয়তপুর
  • প্রকাশিত ০২ অক্টোবর ২০১৯

১৯৯৯ সালে জাজিরা পৌরসভার যাত্রা শুরু হয়। ২০ বছরের পুরনো এ পৌরসভার আয়তন ১৬ বর্গকিলোমিটার। মোট জনসংখ্যা ৩৩ হাজার ৩শ জন। মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। জাজিরা পৌরসভা ২০১৮ সালে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়। ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সর্বশেষ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেয়র পদে নির্বাচিত হন ইউনুছ ব্যাপারী। এ পৌরসভায় বিশুদ্ধ খাবার পানীয় জল, অপ্রশস্ত রাস্তা ও ভাঙা রাস্তাঘাট, জলাবদ্ধতা, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, যাত্রী ছাউনি সমস্যা, ডাস্টবিন সংকট, গণশৌচাগার সংকট, চিত্তবিনোদন ও শিশুপার্কসহ অনেক সমস্যা এখনো রয়ে গেছে। তার পরেও উন্নয়নের কাজ এগিয়ে চলেছে।

পৌর কর্তৃপক্ষ দাবি করছেন সময়সীমার মধ্যে বাকি কাজ শেষ করতে পারবেন। পৌর এলাকার বি এম সামসুল হক জানান, জাজিরা পৌরসভায় প্রয়োজন অনুযায়ী কোনো সুযোগ-সুবিধা না থাকলে ও বেশির ভাগ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন পৌর মেয়র। তবে এখনো এ পৌরসভায় অনেক সমস্যা রয়েছে। এখানে ডাস্টবিন নেই। পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। নির্ধারিত কোনো ডাম্পিং নেই। যাত্রী ছাউনি নেই। কিছু কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা রয়েছে। কিছু রাস্তাঘাটও ভাঙাচোরা। পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নেই। শিশুপার্ক নেই। নিজস্ব পৌরভবন নেই। সব এলাকায় বিদ্যুৎ বাতি নেই। সর্বত্র পানি সরবরাহ নেই। এ পৌরসভায় পাকা রাস্তা রয়েছে ২৩ দশমিক ৫১৮ কিলোমিটার, ইটের সলিং ১২০০ মিটার, হেরিং বন্ড ২৭০০ মিটার। এখনো কাঁচা রাস্তা রয়েছে ৭ হাজার ৬শ মিটার।

কাউন্সিলর ইদ্রিস আলী মাদবর বলেন, পৌরসভায় ট্যাক্স আদায় খুবই কম। কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা ও রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা আছে। এ জন্য বরাদ্দ পেলে বাকি কাজ শেষ হয়ে যাবে।

কাউন্সিলর ইলিয়াছ মাদবর বলেন, পৌরসভায় ৮০ ভাগ কাজ কাজ শেষ হয়েছে। তবে পৌরসভার ভবন, অডিটরিয়াম নির্মাণের জন্য জায়গা নেওয়া আছে। অর্থের অভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থ বরাদ্দ পেলে বাকি কাজ সময়সীমার মধ্যে শেষ করা যাবে। মেয়র ইউনুছ আলী ব্যাপারী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নাগরিক সেবা দেওয়া ১০০ ভাগ সফল হয়েছি। উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে ৮০ ভাগ সফল হয়েছি। রাজস্ব্ব আয় আমার পৌরসভায় কম। সম্প্রতি ১০ কিলোমিটার পানির লাইন ও পাম্পসহ তিনটি শৌচাগার বরাদ্দ পেয়েছি। নির্বাচনে সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পানি সরবরাহ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এতে শতভাগ সফল হয়েছি। মেয়র হওয়ার পর থেকে পৌরসভায় কোনো মামলা- মোকদ্দমা হতে দেইনি। দু’একটি মাদক মামলা ছাড়া অন্য কোনো মামলা নেই বললেই চলে। মাদক নাই বললেই চলে। বেশির ভাগ রাস্তাঘাট নির্মাণ ও সংস্কার করেছি। বর্তমানে হাতে যে কাজ আছে তা বাস্তবায়ন হলে আর কোনো রাস্তাঘাট বাকি থাকবে না। আগামী দিনে নির্বাচিত হলে জাজিরা পৌরসভাকে আরো সুন্দর করে গড়ে তুলব। তবে এটা দলীয়প্রধান শেখ হাসিনার ইচ্ছা। তিনি যেটা ভালো মনে করেন, আমরা সেটাকেই সাধুবাদ জানাবো।

মেয়র বলেন, পৌরসভার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বলে দিয়েছি, কোনো কিছু প্রয়োজন হলে আমাকে বলবেন, এখানে কোনো দুর্নীতি হবে না। কেউ ঘুষ চাইলে আমাকে বলবেন। পৌরসভার জনগণ এখনো জানে না পৌরসভার কর দিতে হয়। তাই পৌরকর আদায় কম হচ্ছে। আমরা সভা- সেমিনার করে বোঝানোর চেষ্টা করছি। কিছু ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ময়লা আবর্জনা ফেলানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছি। সব সময় চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকার জন্য। শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও শিক্ষা অফিসারসহ সব শিক্ষকদের নিয়ে সেমিনার করেছি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads