• শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
ads
কক্সবাজারে লাখো ভক্তের অংশ গ্রহণে প্রতিমা বিসর্জন

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

কক্সবাজারে লাখো ভক্তের অংশ গ্রহণে প্রতিমা বিসর্জন

  • কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৮ অক্টোবর ২০১৯

কক্সবাজারে লাখো ভক্তের অংশ গ্রহনে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে সম্পন্ন হয়েছে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান। প্রতি বছরের ন্যায় ব্যাপক উৎসব মুখর ও গভীর শ্রদ্ধায় মা দুর্গাকে বিদায় জানালো ভক্তরা।

আজ মঙ্গলবার ৮ অক্টোবর বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার শেষদিন বিজয়া দশমীতে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কক্সবাজার জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ।

সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টের বিজয়া মঞ্চে বিসর্জনের অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকাল ৪টায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন-কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডঃ রণজিত দাশ। বক্তব্য রাখেন কউক চেয়ারম্যান কর্ণেল (অবঃ) ফোরকান আহমদ, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যাপক প্রিয়তোষ শর্মা চন্দন প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি বলেন, এ দেশের মাটি ও মানুষ অসম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। এদেশে সব ধর্মের সহাবস্থানের কারণে একইসঙ্গে ঈদ, পূজা, প্রবারণা ও বড়দিন উদযাপিত হয়। বিজয়া দশমীর এই মহামিলন মেলা আরও একবার প্রমাণিত হলো অপূর্ব এ দৃষ্ঠান্ত।

অনুষ্ঠানকে ঘিরে বেলা ২টার পর থেকে ট্রাকে করে শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা নিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে জড়ো হয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বিসর্জনের আগ পর্যন্ত সৈকতের বালুচরে রাখা দুর্গা প্রতিমাকে ঘিরে ধরে চলে ভক্তদের শেষ আরাধনা। এছাড়া নাচে-গানে এক অন্য রকম আনন্দমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে। অনুষ্ঠানকে ঘিরে সমাগম ঘটে পর্যটকসহ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আগত লাখও মানুষের।

জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা জানান, এ বছর জেলায় ২৯৪টি মন্ডপে পূজা হয়েছে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে কক্সবাজার সৈকতে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads