• বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬
ads
চামড়া শিল্পনগরীর সব কাজ সম্পন্ন হবে ডিসেম্বরে

ছবি : সংগৃহীত

সারা দেশ

চামড়া শিল্পনগরীর সব কাজ সম্পন্ন হবে ডিসেম্বরে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ০৯ অক্টোবর ২০১৯

চলতি বছরের ডিসেম্বরেই চামড়া শিল্পনগরীর সব কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায়। এর পরপরই বিশ্ববাজারে চামড়া প্রক্রিয়াকারী দেশ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপকে (এলডব্লিউজি) নিরীক্ষার আমন্ত্রণ জানানো হবে।

গতকাল মঙ্গলবার চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারসহ (সিইটিপি) প্রকল্পের সার্বিক বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এতে সভাপতিত্ব করেন। সাভারের শিল্পনগরীর সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বলা হয়, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারসহ (সিইটিপি) সব কাজ সমাপ্ত হবে। এরপর আগামী বছরের শুরুতেই এলডব্লিউজি সনদ অর্জনের জন্য সংস্থাটিকে নিরীক্ষার আমন্ত্রণ জানানো হবে। বর্তমানে যে গতিতে চামড়া শিল্পনগরীর কাজ চলছে, তাতে আগামী বছরের প্রথম দিকেই বাংলাদেশ চামড়া শিল্পের জন্য এলডব্লিউজি সনদ অর্জনে সক্ষম হবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারির শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, শিল্প সচিব আবদুল হালিম, বিসিকের চেয়ারম্যান মোশতাক হাসান, বুয়েটের টিম লিডার অধ্যাপক ড. মো. দেলোয়ার হোসেন, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ, বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিনসহ চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্পের পরিচালক, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিসিক ও চামড়া শিল্পসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, সিইটিপির কাজ শতকরা ৯৮ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে সিইটিপির ৪টি মডিউল চালু রয়েছে এবং এগুলো বর্জ্য পরিশোধন করছে। সিইটিপির কার্যক্রম শতভাগ সম্পন্ন করার জন্য যন্ত্রপাতিসহ আমদানিযোগ্য মালামাল ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় এসেছে। বর্তমানে এগুলো স্থাপনের কাজ চলছে। সিইটিপির ডি-ওয়াটারিং হাউজের ৯টি ইউনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিটের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৬টি ইউনিটের কাজ ২৫ অক্টোবরের মধ্যে শেষ হবে।

সভায় আরো জানানো হয়, একই সঙ্গে শিল্পনগরীতে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ২টি ডাম্পিং ইয়ার্ড স্থাপনের লক্ষ্যে ড্রয়িং ও ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। এটি নির্মাণের জন্য ১৫ অক্টোবরের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হবে। এ ছাড়া সিইটিপির অভ্যন্তরীণ রাস্তা নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সভায় শিল্পমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চামড়া শিল্পের বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগাতে যেকোনো মূল্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এ প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। যারা শিল্পনগরীতে প্লট বরাদ্দ নিয়ে কারখানা স্থাপন করেননি, তাদের প্লট বরাদ্দ বাতিল করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার চামড়া খাতে রপ্তানি বাড়াতে সিইটিপির পাশাপাশি পুরো শিল্পনগরীকে এলডব্লিউজি সনদের আওতায় আনবে। এর মাধ্যমে চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads