• শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

সারা দেশ

বস্তা বস্তা পেঁয়াজ ফেলা হচ্ছে নদীতে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৬ নভেম্বর ২০১৯

সারা দেশে পেঁয়াজের বাজার যেখানে লাগামহীন, সেখানে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে পচে যাওয়া বস্তা বস্তা পেঁয়াজ ফেলে দেয়া হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। গত ৩ দিন ধরেই এ অবস্থা চলছে। মূলত বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশে মজুত করতে গিয়ে এসব পেঁয়াজ পচে গেছে বলে অভিযোগ ক্যাবের। 

বাজারে পেঁয়াজের কেজি যখন আড়াইশ টাকা, তখন নুরুল ইসলাম এবং দ্বীন ইসলাম নামে দু’ভাই খাতুনগঞ্জ থেকে প্রতি বস্তা পেঁয়াজ কিনছে ১০০ টাকা দরে। তবে বস্তার বেশির ভাগ পেঁয়াজ'ই পঁচা। কিছুটা লাভের আশায় পচা পেঁয়াজ কিনলেও কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি করতে না পেরে ফেলে দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী কর্ণফুলী নদীতে।

তারা জানান, আঠারো বস্তা পেঁয়াজ কিনে এনেছি। তিন বস্তা পচে গেছে যা আমরা ফেলে দিয়েছি। 

এদিকে খাতুনগঞ্জে বিভিন্ন গুদামে পড়ে আছে বিপুল পরিমাণ পচা পেঁয়াজ। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের দাবি, মিয়ানমার থেকে নৌপথে আমদানির সময় পানি পড়ে পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে। তাই তারা কম দাবে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। 

চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জের হামিদ উল্লাহ মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী বলেন, মিয়ানমার থেকেই পচা পেঁয়াজ আসছে। মজুদ নেই তাই পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। 

ক্যাবের অভিযোগ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলার নজরদারির অভাবে সিন্ডিকেট পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। 

চট্টগ্রাম ক্যাবে’র এস এম নাজের হোসেন বলেন, পেঁয়াজ সংকটের মূল কারণ মজুদদারি। মজুদদারির মাধ্যমে দাম বাড়ানোর যে প্রক্রিয়া করেছিলো সেই জায়গায় প্রশাসন মজুদদারির নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা না নিতে পারায় আজকে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর সরকার মিয়ানমার থেকে আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। তবে মিয়ানমারের পেঁয়াজের মান নিয়ে তখনও প্রশ্ন তুলেছিলেন ব্যবসায়ীরা।

পেঁয়াজের দাম সেপ্টেম্বরে ৩০-৪০ টাকা থেকে দুই মাসে আড়াইশ টাকা ছাড়িয়েছে। সঙ্কট কাটাতে সরকার মিসর, তুরস্ক, চীন থেকে আমদানির উদ্যোগ নিলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads