• রবিবার, ৩১ মে ২০২০, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads
১২ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৪

প্রতীকী ছবি

সারা দেশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের ৪৪ কিলোমিটার এলাকায়

১২ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৪

  • মো. এমদাদ উল্যাহ, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা)
  • প্রকাশিত ০৮ জানুয়ারি ২০২০

নিজ বাসা থেকে বের হলেই প্রত্যেক মানুষকে সড়ক দুর্ঘটনা নামক আতঙ্ক তাড়া করে বেড়ায়। প্রতিদিন দেশের কোনো না কোনো অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেই থাকে। যার ক্ষয়ক্ষতি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হয়। জনসচেতনতা এবং প্রয়োজনীয় সরকারি-বেসরকারি পদক্ষেপই সড়ক দুর্ঘটনার মহামারিকে রুখে দিতে পারে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, অতিরিক্ত গতি ও ওভারটেকিং, অপ্রশস্ত রাস্তা, ওভার লোডিং, আইন অমান্য, জনসংখ্যার চাপ ও অপ্রতুল পরিবহন ব্যবস্থা, ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তির অপব্যবহার, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, অদক্ষ ও লাইসেন্স বিহীন চালক, সড়কের ওপর অবৈধ হাটবাজার, অবৈধ স্থাপনা, বিকল্প রাস্তার ব্যবহার না করে যখন-তখন রাস্তা খোঁড়াখুড়ি, যানবাহনে ব্যবহৃত তেলে ভেজাল এবং রাস্তার মধ্যে প্রয়োজনীয় ডিভাইডার না থাকা প্রভৃতি কারণে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ৪৪ কিলোমিটার ও আঞ্চলিক সড়কে ২০১৯ সালে পৃথক দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত ও অপর তিন শতাধিক জন আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজন পঙ্গুত্ববরন করেছেন।

দৈনিক বাংলাদেশের খবর পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ, চৌদ্দগ্রাম থানা ও মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ও নিহতদের স্বজন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর মধ্যে গত ১৩ জানুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় চিওড়ায় পুরাতন সড়ক থেকে মহাসড়কের নতুন অংশে উঠার সময় ঢাকামুখী দ্রুতগামী একটি পিকআপ সিএনজি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই রাবেয়া আক্তার ওরপে রবিয়া নামের এক নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। তিনি নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের শিহর গ্রামের মৃত দুদু মিয়ার মেয়ে এবং চৌদ্দগ্রামের নানকরা এলাকার জিল ওয়্যারস জুতা ফ্যাক্টরীর শ্রমিক। ১৪ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের ভ্যাটেনারী শাখার সিনিয়র অফিসার খোরশেদ আলম ওরফে মামুন নিহত হয়েছেন। তিনি পৌর এলাকার বীরচন্দ্রনগর গ্রামের মোহছেন আলীর ছেলে। ঢাকা-চট্টগ্রাম বীরচন্দ্রনগর এলাকায় অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ির ধাক্কায় এ ঘটনা ঘটে। ৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার রাত সাড়ে নয়টায় মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হন নেয়ামত হোসেন সুমন। তিনি জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর ছেলে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার নেয়ামত হোসেন সুমন। এরআগে বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছুপুয়া এলাকায় গাড়ির ধাক্কায় নিহত হয়েছেন আবদুল মজিদ। তার বাড়ি কালিকাপুর ইউনিয়নের সাতঘড়িয়া গ্রামে। ১৪ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার হাসানপুর-বাঙ্গড্ডা সড়কে দুর্ঘটনায় সুফিয়ান মুজমদার নামের এক মোটর সাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। সে জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের শাটিষক গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। ১৭ ফেব্রুয়ারি রোববার ভোরে জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের গাংরা এলাকায় ফটিকছড়ি মাইজভান্ডার ওরশগামী যাত্রীবাহী বাস ওভারটেকিং করার সময় মালবাহী একটি ট্রাককে স্বজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসের এক পাশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে নিহত হন বাসের পাঁচ যাত্রী। নিহতরা হলেন; খুলনার খালিশপুরের কাশিপুর গ্রামের সাদের আলীর ছেলে চায়না হিজরা, আজগর আলীর স্ত্রী হাসি বেগম, দীঘুলিয়া থানার চন্দ্রিমহল গ্রামের রুস্তম মোল্লার ছেলে আসলাম মোল্লা, শেরহাটি গ্রামের মোজাফ্ফর আলীর ছেলে সালাম মিয়া, একই বাসের যাত্রী আনোয়ার হোসেন। আহত হয় অন্তত ২০ যাত্রী। ১ মার্চ শুক্রবার ভোরে নালঘর রাস্তার মাথা থেকে চল্লিশোর্ধ এক মহিলার ছিন্নবিচ্ছিন্ন লাশ উদ্ধার করা হয়। ৩ মার্চ রোববার রাতে চিওড়া এলাকায় অজ্ঞাতনামা গাড়ির ধাক্কায় চট্টগ্রামের ডবলমুড়িং থানার মনছুরাবাদ এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম মিয়া নিহত হন। ৪ মার্চ  সোমবার আমজাদের বাজার এলাকায় চট্টগ্রামগামী কাভার্ডভ্যানকে ওভারটেক করার সময় যাত্রীবাহী স্টারলাইন এসি বাস পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ডভ্যানটি উল্টে যায় এবং বাসের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে কাভার্ডভ্যান চালক তারেক নিহত ও বাসের আট যাত্রী আহত হন। ১৮ মার্চ সোমবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম ডাকবাংলার সামনে দ্রুতগামী এনা পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় উসান বানু নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। তিনি নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানার সরমুইশা গ্রামের মৃত আবেদ আলীর স্ত্রী। ২৭ মার্চ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আটগ্রামে দ্রুগামী বাসের ধাক্কায় আহত আবুল কাশেম বাবুর্চি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তিনি বাতিসা ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের ছেরাজ মিয়ার ছেলে এবং হাশেম মেম্বারের ভাই। ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার আমানগন্ডা এলাকায় দ্রুতগামী পিকআপ চাপায় দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন; ঘোলপাশা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিন ভুঁইয়ার ছেলে আবুল হোসেন ভুঁইয়া মিস্ত্রী ও একই গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে ইউনুছ মিয়া। ৪ মে শনিবার রাতে দক্ষিণ ফালগুনকরা এলাকায় জেনারেটর বোঝাই পিকআপ উল্টে দুই শ্রমিক নিহত ও অপর দুইজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন; ভোলা জেলা সদরের বাংলা বাজার এলাকার মৃত ওয়াব মিয়ার ছেলে আবুল বাসার বাসু ও জেলার বড়নদী থানার মাইনকার হাট গ্রামের মন্তাজ মিয়া। ৩১ মে শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় মিয়াবাজার এলাকায় ছাত্রলীগ নেতা শাহীন আলম নিহত হয়েছেন। তাঁর বাড়ি কাশিনগর ইউনিয়নের চন্ডিনগর গ্রামে। ৩ জুন সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মিয়াবাজার সংলগ্ন চান্দুল এলাকার ড্রাগন সুয়েটার এন্ড স্পিনিং মিলের সামনে ফেনী পিবিআইর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামানকে বহনকারী গাড়ি দুর্ঘটনায় তিনজন গার্মেন্টস কর্মী নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। নিহত শ্রমিকরা ওই কারখানার শ্রমিক ছিলেন। এ ঘটনায় ওই অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ তার সঙ্গে থাকা অন্যরা সামান্য আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন; সাতবাড়িয়া গ্রামের নাছিমা আক্তার, জগপুর গ্রামের তানজিনা আক্তার ও কাজল বেগম। ৫ জুন বুধবার বিকেলে বসন্তপুর এলাকায় হাইয়েস মাইক্রোবাসের চাকা পাংচার হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি রিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে দুমড়ে মুচড়ে মাইক্রোবাস ও রিকশা সড়কের পাশে পড়ে যায়। ঘটনাস্থলে রিকশার যাত্রী শিশু তামিম নিহত ও তার মামা আনসার সদস্য শাহ আলমসহ ৬ জন আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত শাহ আলমকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করার পর ১০ জুন সোমবার তার মৃত্যু হয়। ঈদের পরদিন বৃহস্পতিবার ভোরে মহাসড়কের লালবাগ এলাকায় দূর্ঘটনায় উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ কামরুল হুদার প্রাইভেটার কারটির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে তিনি আহত হন। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার শেষে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। ১৪ জুন শুক্রবার সুজাতপুর এলাকায় আমভর্তি ট্রাক দূর্ঘটনা কবলিত হয়ে সোহেল নামের এক হেলপার নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। ১৮ জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় চৌদ্দগ্রাম-খিরনশাল আঞ্চলিক সড়কের যাত্রাপুর এলাকায় পিকআপ ভ্যানের পিছনে সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় বাহরাইন প্রবাসীসহ দুইজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন; মুন্সিরহাট ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের মৃত আবদুর রহমান প্রকাশ বাচ্চু মিয়ার ছেলে প্রবাসী আইয়ুব আলী ও একই গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিন মাস্টারের ছেলে সিরাজ মিয়া। ১২ জুলাই শুক্রবার রাতে আমানগন্ডা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বেলাল হোসেন রাসেল নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। তাঁর বাড়ি নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলায়। ১৭ জুলাই বুধবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আমানগন্ডা ও কালির বাজার এলাকায় দুটি ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন; চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার পূর্ব ধনমুড়ির ওবায়েদুল্লাহর ছেলে নুরুল আলম জাবলু, প্রাণ গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের পড়ুয়া গ্রামের জুয়েল মোল্লার ছেলে জোবায়ের ও ফেনী জেলার কুমিড়া গ্রামের গিত্তলাল দাসের ছেলে শিমুল দাস। ২১ জুলাই রোববার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় রুপিয়া বেগম নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। তিনি পৌর এলাকার পাঁচরা গ্রামের হাফেজ আহমেদের স্ত্রী। এ ঘটনায় নারী-শিশুসহ আর ও তিনজন আহত হয়েছেন। ৩১ জুলাই বুধবার ভোরে চিওড়া এলাকায় গরুবাহী ট্রাক দুর্ঘটনায় তিন গরু ব্যবসায়ী নিহত ও অপর চারজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় ৫ গরুরও মৃত্যু হয়েছে। নিহত গরু ব্যবসায়ীরা হলেন; ঝিনাইদহ জেলার মহিশপুর উপজেলার সিরানন্দী গ্রামের মনসুর মিয়ার ছেলে আনেয়ার হোসেন, লাঠিমা গ্রামের আমান উদ্দিনের ছেলে সামিউল ও একই গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে খোকন মিয়া। ৪ আগস্ট রোববার সকালে ফালগুনকরা মাজার এলাকা থেকে ষাট বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক মহিলার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৭ আগস্ট বুধবার রাতে ট্রেনিং সেন্টার নামক স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল হাইস্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক, আমানগন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক ও পৌর এলাকার দক্ষিণ নোয়াপাড়া গ্রামের আলী আশ্রাফের বড় ছেলে মোঃ আতর ইসলাম আহত হয়। পরে ৯ আগস্ট শুক্রবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ১৩ আগস্ট মঙ্গলবার বিকেলে চিওড়া এলাকায় ও ১৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে মহাসড়কের আটগ্রাম পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও অপর কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন; পৌর এলাকার শ্রীপুর খাঁ বাড়ির খোরশেদ আলম খাঁর ছেলে মোঃ জিদান খাঁ ও জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার ফুলকান্দি গ্রামের কাশেম আলী। ২ সেপ্টেম্বর সোমবার ভোরে সৈয়দপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের এএসআই আকতার হোসেনসহ তিনজন নিহত ও অপর চারজন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন; কুমিল্লা জেলার বরুড়া থানার ছোট বাতুয়া গ্রামের দুলা মিয়ার ছেলে এএসআই আকতার হোসেন, কভার্ডভ্যানের হেলপার লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার নন্দীগ্রামের ইসমাইল হোসেন বাবুলের ছেলে মোঃ সুমন ও নোয়াখালীর সেনবাগ থানার নিজ সেনবাগ গ্রামের ছালেহ আহমদের ছেলে মোঃ ফাহাদ। ২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সিঙ্গাপুর মার্কেট এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় এছাক মিয়া নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বাতিসা ইউনিয়নের জামুকরা গ্রামের মৃত আমির মিয়ার ছেলে। ১১ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় ডলি রিসোর্ট এলাকায় দ্রুতগামী মোটর সাইকেলের ধাক্কায় জাহেরা বেগম নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। তিনি পৌর এলাকার ফালগুনকরা গ্রামের ব্যবসায়ী রুপ হোসেন ওরফে রুকুর মা।

২৩ অক্টোবর বুধবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম বাজারের নতুন সড়কে চলন্ত বাসে উঠার সময় বাস চাপায় দুলাল চন্দ্র দাস নামের এক রেলওয়ে কর্মচারী নিহত হয়েছেন। নিহত দুলাল উপজেলা সদরের চাঁন্দিশকরা গ্রামের অনন্ত কুমার দাসের ছেলে। ২০ অক্টোবর রোববার সকালে মাটি বহনকারী ট্রাক্টরের ধাক্কায় মীম আক্তার নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। সে শুভপুর ইউনিয়নের তেলিহাটি গ্রামের সুমন মিয়ার একমাত্র মেয়ে। ৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাতিসা গোলমানিক্য দীঘির পূর্ব পাড়ে অজ্ঞাতনামা দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের উত্তর পাড়ার ব্যবসায়ী হাফেজ জুবায়ের হুসাইনের পিতা। ২০ ডিসেম্বর আমজাদের বাজার এলাকায় ইউনিক যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আমেনা বেগম নামে মহিলা যাত্রী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। নিহত আমেনা বেগম ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলা মদনপুর গ্রামের তবারক মোল্লার স্ত্রী। এর তিনদিন আগে মিয়াবাজার এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতনামা এক যুবক নিহত হয়েছেন।

এ ব্যাপারে মিয়াবাজার হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবুল হোসেন বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আমরা জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এছাড়া খবর পাওয়ার সাথে সাথে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িগুলো উদ্ধার শেষে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে থাকি’।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads