• বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬
আদালতের রায় উপেক্ষা করে চলছে হাকালুকি হাওরে মাছ শিকার

হাকালুকি হাওরের চাতলা বিলে বিশাল বেড়জাল দিয়ে অবাধে চলছে মাছ শিকার

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

আদালতের রায় উপেক্ষা করে চলছে হাকালুকি হাওরে মাছ শিকার

  • কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ১৮ জানুয়ারি ২০২০

হাকালুকি হাওরের আবদ্ধ জলমহাল হাওরখাল বিল থেকে অবৈধ ভাবে মাছ শিকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই বিল থেকে মাধবকুন্ড মৎসজীবী সমবায় সমিতি সম্পূর্ন অবৈধ ভাবে মাছ শিকার করছে বলে অভিযোগ করেন সোনার বাংলা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ফিশারম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি: এর সদস্যরা। 

সোনার বাংলা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ফিশারম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি: এর সভাপতি আব্দুল খালিক বাদল এবং সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন জানান, হাকালুকি গুটাউরা হাওরখাল আবদ্ধ জল মহালটি উপজলো জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সুপারশি ছাড়াই ভূমি মন্ত্রণালয় মাধবকুন্ড মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিকে ১৪২৪ বাংলা থেকে ১৪২৯ বাংলা পর্যন্ত ৬ বছররে জন্য ইজারা প্রদানের আদেশ জারী করে।

এ আদেশেরে বিরুদ্ধে সোনার বাংলা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সমবায় সমিতি হাইকোর্টে রিট মামলা (নং-১৫৬১/২০১৮ইং) দায়ের করেন। প্রথমে বিজ্ঞ আদালত ৬ মাসের স্থগিতাদেশ জারি করেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ পর্যলোচনা করে বিজ্ঞ আদালত ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ ইং তারিখে সোনার বাংলা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ফিশারম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি: এর পক্ষে রায় দেন। কিন্তু মাধবকুন্ড সমিতি একদিকে এ স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে লিভ টু আপলি (৩২২৩/১৮ইং) দায়ের করে এবং অন্যদিকে আদালতরে স্থগিতাদেশকে অগ্রাহ্য করে লীজ ডিডের র্শত ভঙ্গ করে অবধৈভাবে বিল থেকে মাছ শিকার করে বিক্রি করছে।

সভাপতি আব্দুল খালিক বাদল অভিযোগ করে আরও বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালীদের মদদে মাবধকুন্ড মৎস্যজীবী সমিতির লোকজন দীর্ঘ দিন থেকে রাতের আঁধারে মাছ শিকার করলেও বর্তমানে তারা বিলের পাড় কেটে পানি নিস্কাসন করে দিনেও মাছ লুট করছে। কোর্টের রায় দেখিয়ে তাদেরকে বাধাঁ প্রদান করলে উল্টো তারা আমাদেরকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে মাধবকুন্ড মৎসজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি সালাম উদ্দিন আনিত অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন, আমরা বিল থেকে মাছ ধরছিনা, বরং বিল পাহারা দিচ্ছি। সরকারী সম্পদ পাহারা দেয়া-তো দোষের নয়।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads