• শনিবার, ৬ জুন ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫
ads

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

চিকিৎসক সংকটে পাবনা মানসিক হাসপাতাল

  • কানু স্যানাল, পাবনা
  • প্রকাশিত ১৪ মার্চ ২০২০

দেশের একমাত্র বিষেশায়িত ৫০০ শয্যার পপা মাত্র ছয়জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসা সেবা। হাসপাতালটিতে গড়ে ৪৬০ জন রোগী ভর্তি থাকে। সামান্য সংখ্যক এ চিকিৎসক দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত রোগীদের সুষ্ঠু চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ভর্তিকৃত ও বর্হির্বিভাগের রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের দফতরসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণায়লে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, মঞ্জুরীকৃত চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৩০টি। এরমধ্যে পরিচালকের মত গুরুত্বপূর্ণ পদটি খালি রয়েছে দীর্ঘ দিন ধরে। তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার রায় সাময়িকভাবে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিমত তিনি প্রশাসনিক দক্ষতায় ব্যর্থ। তিনি মানসিক রোগ সম্পর্কে অনভিজ্ঞ। বাকি পদগুলোর মধ্যে তিনজন ক্লিনিক্যাল অ্যাসিসট্যান্ট ও তিনজন মেডিকেল অফিসার রয়েছেন। এ ছয়জন চিকিৎসক দিয়ে ৫০০ শয্যার স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। দূর-দূরান্তের রোগীরা এখানে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। ফলে আন্তঃ ও বহির্বিভাগে রোগী সেবার নামে চলছে অনেকটাই বাহানা। ভর্তিকৃত রোগীদের সেবা দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে এ চিকিৎসকদের। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসারের পদটি শূন্য থাকায় এ পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন ডা. ওমর ফারুক বুলবুল।

এদিকে, চিকিৎসক না থাকায় মানসিক রোগের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দুইজন সাইকিয়াট্রিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপককে সাবেক পরিচালক ড. ডা. তম্ময় প্রকাশ বিশ্বাস স্থানীয় আদেশ বলে মানসিক রোগীদের বর্হির্বিভাগে সেবা দেবার জন্য নিয়োজিত করেছিলেন। তাদের মধ্যে ডা. সাকফাত ওয়াহিদের সহযোগী হিসেবে সকল যোগ্যতা পুরন হওয়ার পরেও দীর্ঘ দিন অজ্ঞাত কারণে পদোন্নতি হয়নি। পদোন্নতির পর তাকে নিয়োগ দিলে সঙ্কট কিছুটা নিরসন হবে বলে জানান  কর্মরত কর্মকর্তারা।

স্থায়ীভাবে কর্মরত ডাক্তারদের মধ্যে মানসিক হাসপাতালের রোগীদের মনোরোগ নিয়ে এমফিল করছেন ডা. ওমর ফারূক বুলবুল। সংশ্লিষ্ট রোগের অভিজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় রোগীদের রোগ নিরাময়েও দীর্ঘসূত্রীতা হচ্ছে। সুষ্ঠ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাবেক পরিচালক ডা. তন্ময় প্রকাশ বিশ্বাস অনেকবার ডাক্তার নিয়োগ দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বরাবর বেশ কয়েকবার চিঠি দিলেও কোনো ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়নি এখানে। উপরন্ত কর্মরত ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস বৈশাখীকে পদোন্নতি দিয়ে অন্যত্র বদলী ও ডা. মুন-ই-মুন নাহার এমডি কোর্স করার জন্য বাইরে চলে গেছেন।

সুপার ও দায়িত্ব প্রাপ্ত পরিচালক ডা. রতন কুমার রায় বলেন, স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের দপ্তরসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads