• বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২০, ১৮ চৈত্র ১৪২৬
ads
ভোলায় ফার্মেসীতে ওষুধ সঙ্কট

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

ভোলায় ফার্মেসীতে ওষুধ সঙ্কট

  • ভোলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৫ মার্চ ২০২০

ভোলায় ফার্মেসীগুলোতে গত দু’দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাঁশির ওষুধ সংকট দেখা দিয়েছে। গত দুই দিন ধরে সাধারণ মানুষ প্রচুর পরিমানে প্যারাসিটামল, এজিথ্রোমাইসিন, ক্লোরোকুইন, সিভিটসহ এসকল ওষুধ কেনায় মার্কেটে প্রায় এ ওষুধ নেই বললেই চলে। কোম্পানির কাছে ওষুধ অর্ডার করে পাচ্ছেনা ফার্মেসীগুলো। একই সাথে সার্জিক্যাল মাক্স, হ্যান্ডগ্লোবস, হ্যান্ড সেনিটাইজার, স্যাভলনসহ জীবানু নাশক এ মালামালগুলোরও ব্যাপক সংকট রয়েছে। এর কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানান লোকজন প্রয়োজনের তুলনায় বেশী কিনে নেয়ায় এ সংকট দেখা দিয়েছে।

আজ বুধবার সরেজমিনে ভোলার বিভিন্ন ওষুধের দোকান ঘুরে দেখা যায়, দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভির। বেশীরভাগ লোক মাক্স, হ্যান্ডগ্লোবস, হ্যান্ড সেনিটাইজার, স্যাভলসহ জীবানু নাশক খোঁজ করছেন। কিন্তু দোকানীরা প্রয়োজন অনুসারে ক্রেতাদের দিতে পারছেন না। একই সমস্যা ওষুধের বেলাও। সাধারণত জ্বর, সর্দি ও কাঁশি’র ওষুধ প্যারাসিটামল, এজিথ্রোমাইসিন, ক্লোরোকুইনসহ এ জাতীয় ওষুধ দিতে পারছেন না বিক্রেতারা। কিছু কিছু দোকানে এজিথ্রোমাইসিন থাকলেও প্যারাসিটামল ও ক্লোরোকুইন নেই।

ভোলা শহরের দে মেডিকেলের ম্যানেজার বিমান মিত্র জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে গত চার-পাঁচ দিন আগ থেকেই হ্যান্ড সেনিটাইজার, গ্লোবস ও মাক্স মার্কেটে নেই। বর্তমানে প্যারাসিটামল, এজিথ্রোমাইসিন ও ক্লোরোকুইন ট্যাবলেট ও সিরাপ সংকট রয়েছে। আর ক্রেতারা সবাই এ ওষুধগুলোই খোঁজ করছে। কেনো হঠাৎ করে এ ওষুধগুলো মানুষ কিনছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষ টিভি ও ফেসবুকের মাধ্যমে কোরনা ভাইরাস রোধে এজিথ্রোমাইসিন ও ক্লোরোকুইন কাজ করে বলে জানতে পেরে তারা এ ওষুধগুলো কিনে রাখছেন।

একই কথা বলেন শহরের মা জননী মেডিকেল, রোয়ান ফার্মেসী, নব আদর্শ ফার্মেসীর সেলসম্যান ও মালিকগণ। তারা জানান, করোনা বাংলাদেশে চিহ্নত হওয়ার সাথে সাথেই ভোলার বাজারে মাক্স, হ্যান্ড গ্লোবস, হ্যান্ড সেনিটাইজার, স্যাভলনসহ করোনা রোধের জীবানু নাশকগুলো কেনার ধুম পড়ে। কয়েকদিনের মধ্যেই এ জিনিসগুলো সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়। এখন কোম্পানির কাছে ওয়ার্ডার দিয়েও তা পাওয়া যাচ্ছে না। যার ফলে ক্রেতারা এসে ফিরে যাচ্ছেন।

ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, এ ওষুধগুলো হাসপাতালে সাপ্লাই রয়েছে। বাহিরে না থাকলে ব্যবসায়ীরা কোম্পানির থেকে সংগ্রহ করে নিবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads