• সোমবার, ১ মার্চ ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭
ঢাকার বাইরে শতকরা ৬০ ভাগ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হওয়ার উপক্রম

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশ

ঢাকার বাইরে শতকরা ৬০ ভাগ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হওয়ার উপক্রম

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১১ মে ২০২০

করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগী ভর্তি ও টেস্টের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বেকায়দায় পড়েছে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন- বিপিসিডিও বলছে, আয়-ইনকাম না থাকায় ঢাকার বাইরে শতকরা ৬০ ভাগ প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

ঢাকায়ও বেশকিছু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ইতমধ্যে স্টাফদের বেতন দিতে না পেরে বা অর্ধ বেতন দিয়ে বন্ধ রেখেছে। এছাড়া, ছোট ছোট কয়েকটি হাসপাতাল সেবা দেয়া বন্ধ রেখেছে।

গরীবের হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত মিরপুর এক নম্বরের জেনারেল হাসপাতালটি। মাত্র ৫ টাকায় টিকিট কেটে চিকিৎসা পায় সাধারণ মানুষ। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গেল ২৬শে মার্চ থেকে হাসপাতালটির কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

৫ টাকায় চিকিৎসা-ওষুধ মেলায় প্রতিদিনই এই হাসপাতালটিতে ভিড় করতো মানুষ। কিন্তু দেড় মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকায় চিকিৎসা নিয়ে বিপাকে হতদরিদ্র ছিন্নমূল মানুষেরা।

দেশে প্রায় চৌদ্দ হাজার বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রায় এক লাখ মানুষ। বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-বিপিসিডিও বলছে, রোগীর মাধ্যমে করোনা ছড়িয়ে পড়ায় আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে অন্তত পনেরোটি ক্লিনিক।

বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, অনেক রোগীদের কাছ থেকে বেসরকারি হাসপাতালের অনেক ডাক্তার, নার্সরা করোনা পজিটিভ হয়েছেন। তাই অনেক বেসরকারি হাসপাতালই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঢাকা শহরের প্রায় ১০ থেকে ১২ হাসপাতাল লকডাউন অবস্থায় আছে।

বিপিসিডিও বলছে, রোগীশূন্য হয়ে পড়ায় ঢাকার বাইরে ৬০ শতাংশ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারই বন্ধের পথে। ঢাকাতেও বন্ধ হয়ে গেছে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads