• বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭
ads
সখীপুরে আঞ্চলিক মহাসড়কের বিপদজনক গর্ত স্বেচ্ছাশ্রমে ভরাট করল যুবকরা

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

সখীপুরে আঞ্চলিক মহাসড়কের বিপদজনক গর্ত স্বেচ্ছাশ্রমে ভরাট করল যুবকরা

  • সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৮ মে ২০২০

ঢাকা-সখীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বিপদজনক একটি গর্ত অবশেষে স্বেচ্ছাশ্রমে ভরাট করেছে স্থানীয় যুবকরা। গর্তটি প্রায় তিন মাস ধরে অরক্ষিত অবস্থায় থাকলেও টাঙ্গাইল রোডস্ অ্যান্ড হাইওয়ের কোনো কর্মকর্তার নজরে আসেনি। ফলে গত কয়েকদিনে ওই গর্তে পড়ে বেশ কয়েকটি যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। বুধবার রাতেও একটি প্রাইভেট কার গর্তে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয় এবং এক মহিলা যাত্রী গুরুতর আহত হন। এ নিয়ে বারবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর করা হয়। কিন্তু সড়কটি রোডস্ অ্যান্ড হাইওয়ের অধীনে থাকায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কেউ গর্তটি সংস্কারে এগিয়ে আসেনি।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিনমাস আগে ঢাকা-সখীপুর সড়কের প্রতিমা বংকী মাজারপাড় এলাকায় সড়কঘেঁষে পশ্চিম পাশে একটি গর্ত তৈরি হয়। ওই গর্তে মোটরসাইকেল, অটো রিকশা, প্রাইভেট কার পড়ে গিয়ে নিয়মিত দুর্ঘটনাও ঘটতে থাকে। প্রায় মাস দুয়েক আগে ফেসবুকে ছবি দেখে স্থানীয় ইউপি সদস্য আলতাব হোসেন গর্তে একটি লাল নিশান পুতে দেন। কিন্তু গর্তটির স্থায়ী সংস্কারে কেউ এগিয়ে আসেনা। বুধবার রাতে দুর্ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় আবদুল মান্নান, রনি আহমেদ, হাসিবুল হোসেন, জাকির আহমেদ, নাহিদ হাসানসহ বেশ কয়েকজন যুবক মাটি ও বাাঁশের চাটাই দিয়ে গর্তটি ভরাট করে দেন। কিন্তু বৃষ্টি এলেই মাটিগুলো ধুয়ে যাবে। তাই স্থানীয়রা গর্তটি স্থায়ীভাবে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়ভাবে সড়কটির দেখভালের দায়িত্বে কেউ আছেন কি না জানতে চাইলে সখীপুর এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী হাসান ইবনে মিজান বলেন, সড়কটি দেখভালের সম্পূর্ণ দায়িত্ব রোডস্ এন্ড হাইওয়ের। স্থানীয়ভাবে সড়ক দেখাশোনার কেউ নেই।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু বলেন, বিপদজনক ওই গর্তটি আমারও নজরে পড়েছে। এ বিষয়ে আমি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে কথা বলবো।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম মুঠোফোনে স্বেচ্ছাসেবী ওই যুবকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের খবরকে বলেন, আমাকে এবিষয়ে আগে কেউ অবগত করেনি। দীর্ঘ সময় ধরে জনগুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কটিতে এ রকম বিপদজনক গর্ত অরক্ষিত অবস্থায় থাকা ঠিক নয়। আমি অবশ্যই রোডস্ এন্ড হাইওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে গর্তটি দ্রুত ও স্থায়ী সংস্কারের জন্য ব্যবস্থা নিতে বলবো।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads