• বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭
ads
সাফারি পার্কে জেব্রা ও কমনইলান্দ শাবকের জন্ম 

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

সাফারি পার্কে জেব্রা ও কমনইলান্দ শাবকের জন্ম 

  • শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৮ মে ২০২০

গাজীপুরের শ্রীপুরে সাফারি পার্কে কমনইলান্দ ও জেব্রা শাবকের জন্ম দিয়েছে। এর আগেও  এ দুই প্রাণীই শাবকের জন্ম দিয়েছিল। পার্কের আফ্রিকান সাফারি বেষ্টনিতে প্রাকৃতিকভাবেই শাবকগুলোর জন্ম হয়। এরা মুলত আফ্রিকার সাবানা অঞ্চলের চারণভূমিতে বসবাস করতে পছন্দ করে। উপযুক্ত পরিবেশ  পেয়ে সাফারি পার্কে জেব্রা ও কমনইলান্দ শাকবের জন্ম হল। জন্মের পর পর মায়ের সাথে বনের ভিতরেই বিচরণ করছে জেব্রা ও কমনইলান্দ শাবক।

গত ১৮ মে কমনইলান্দ শাবকের জন্ম হয়। আজ ২৮ মে জন্ম হলো জেব্রা শাবকের। শাবকগুলো সুস্থ্য সবল রয়েছে বলে জানান সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (এসিএফ) তবিবুর রহমান।

পার্ক কতৃর্পক্ষ জানিয়েছে, সাফারি পার্কের আফ্রিকান সাফারি বেষ্টনিতে উন্মুক্ত বসবাস করে কমনইলান্দ। এ বেষ্টনিতে জেব্রা পালের বসবাস রয়েছে। পার্কের কোর সাফারির একটি অংশ আফ্রিকান সাফারি জোন। এখানে হরিণ, জিরাফ, অরিক্স, গ্যাজেল, ওয়াল্ডবিস্ট একত্রে  উন্মুক্ত বিচরণ করে। পার্কের নিজস্ব নিয়মে এদের খাবার দেওয়া হয়। পার্কে এখন শাবকসহ ১৯টি জেব্রা ও ৩টি কমনইলান্দ রয়েছে। 

সাফারি পার্কের ওয়াইল্ড লাইফ সুপারভাইজার সরোয়ার হোসেন খান জানান, কমনইলান্দ সাধারণত একটি শাবকের জন্ম দেয়। এরা ৯ মাস গর্ভকালীন সময় পার করে। এদের গড় আয়ু বিশ থেকে পঁচিশ বছর। ফিমেল (নারী) কমনইলান্দ দুই থেকে তিন বছরে প্রাপ্তবয়স্ক হয়। মেইল ( পুরুষ) চার থেকে পাঁচ বছরে প্রাপ্ত বয়স্ক হয়। 

এদিকে জেব্রাও একটি শাবকের জন্ম দিয়ে থাকে। জেব্রা বার থেকে ১৩ মাস গর্ভকালীন সময় পার করে। গড় আয়ু বিশ বছর। পুরুষ  জেব্রা চার বছরে ও নারী জেব্রা  তিন বছরে প্রাপ্তবয়স্ক হয়।

তিনি বলেন, জন্ম নেওয়া কমনইলান্দ শাবকটি পুরুষ। এর আগে, সাতটি পুরুষ জেব্রা ও ১১টি নারী জেব্রা ছিল। জন্ম নেওয়া জেব্রা শাবকের লিঙ্গ নির্ণয় করা যায়নি।

ওয়াইল্ড লাইফ সুপারভাইজার আনিসুর রহমান জানান, কমনইলান্দ ও জেব্রা দল বেধে বসবাস করে। আফ্রিকার সাবানা অঞ্চলে এদের অবাধ বিচরণ। যেখানে গাঢ় সবুজ ঘাস রয়েছে। মাঝে মাঝে থাকে উঁচু গাছ। আফ্রিকা থেকেই সাফারি পার্কে আনা হয়েছে এ প্রাণিগুলো।  উপযুক্ত পরিবেশ পেয়ে শাবক জন্ম দিচ্ছে তারা।

সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (এসিএফ) মো.  তবিবুর  রহমান জানান, জন্মের পরেই আমাদের নজরে আসে শাবক দুটি। মায়ের দুধ পান করছে সময় সময়। বনের ভিতরেই তাদের বিচরণ। আমরা আলাদা নজর রাখছি মা ও শাবকদের দিকে।  

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads