• মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২০, ২৩ আষাঢ় ১৪২৭
ads
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ১৫

  • প্রকাশিত ০৬ জুন ২০২০

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে সালিশী বৈঠককে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় যুবলীগ নেতার গুলিতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে মাইক্রোবাসসহ ১৫টি মাটরসাইকেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

সংবাদ পেয়ে সাবেক মন্ত্রী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাসসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বেলকুচি উপজেলার ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা জোকনালা গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী শিক্ষিকা উম্মে জহুরার একটি পরিত্যাক্ত পুকুর পরিষ্কার করা নিয়ে প্রতিবেশী রফিকুল ইসলামের দ্বন্ধ হয়। এ নিয়ে শনিবার বিকেল ৩টায় জোকনালা বাজারে শালিসী বৈঠক ডাকা হয়। শালিসী বৈঠক বসার প্রায় দুঘন্টা আগেই রফিকুল ইসলামের পক্ষে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সাজ্জাদুল হক রেজার নেতৃত্বে অর্ধশত মোটরসাইকেল নিয়ে একদল যুবক ওই এলাকায় যায়। সালিশ কেন বিলম্ব এ নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনকে গালিগালাজ করে মোটরসাইকেল নিয়ে ফিরে সগুনা চৌরাস্তা মোড়ে পৌছে। এসময় বিপরীত দিক থেকে শিক্ষিকা উম্মে জহুরার পক্ষে দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আশিকুর রহমান লাজুক বিশ্বাসের নেতৃত্বে শতাধিক লোক মোটরসাইকেল যাবার সময় সগুনা মোড়ে দুপক্ষ মুখোমুখি হয়। তখন সাইড দেয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষ চলাকালে যুবলীগ নেতা সাজ্জাদুল হক রেজার গুলিতে লাজুক বিশ্বাসের পক্ষের উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক কামাল আহমেদ গুলিবিদ্ধ হয়। 

এছাড়াও সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। পরে উত্তেজিত জনতা সাজ্জাদুল হক রেজা বাহিনীর একটি মাইক্রোবাসসহ প্রায় ১৫-২০ টি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে।

পরে খবর পেয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ বিশ্বাসসহ আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। আহতদের মধ্যে সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা গুরুতর অবস্থায় কামাল আহমেদকে স্থানীয় ড্যাফোডিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ব্যাপারে বেলকুচি থানার ওসি আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গুলির বিষয়টি তদন্ত চলছে। তবে এখনো কোনো পক্ষ অভিযোগ দেয়নি। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads