• শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭
ads
কলমাকান্দা টু বরুয়াকোনার সড়কে খানাখন্দ, জনদুর্ভোগ চরমে

নেত্রকোণার কলমাকান্দার বরুয়াকোণা-খাসপাড়ার প্রধান সড়ক

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

কলমাকান্দা টু বরুয়াকোনার সড়কে খানাখন্দ, জনদুর্ভোগ চরমে

  • কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ০৫ জুলাই ২০২০

সম্প্রতি ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক বেহাল হয়ে পড়েছে নেত্রকোনার কালমাকান্দা সদর থেকে বরুয়াকোনা সড়কে অন্তত ৮-১০ টি অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়াও  মাঝারি ও ছোট গর্ত রয়েছে অর্ধ শতাধিক। আজ রোববার সকালে সরেজমিনে ওই সড়কের খাসপাঁড়া ও নতুন বাজার এলাকা ঘুরে মানুষের চরম দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেছে।

কলমাকান্দা ইউপি'র চেয়ারম্যান শেখ গোলাম মৌলা প্রতিবেদককে জানান , সম্প্রতি ভারি বর্ষণ ও পাহাড়িয়া ঢলের পানির তীব্র স্রোতে উপজেলার খাসপাঁড়া এলাকার মসজিদ সংলগ্ন এলজিইডি'র পাঁকা সড়ক ভেঙে যাওয়ায় ট্রাক, ট্রলি, লড়ি, মাইক্রোবাসসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে সদর ইউনিয়নের খাঁসপাড়া, রংছাতি ইউনিয়নের  বরুয়াকোনা , রাজাবাড়ি , মুন্সীপুর, ওমরগাঁও , কালাইকান্দি , বটতলা,ব্যস্তপুর, নোয়াগাওঁ, কচুগড়া সহ ১২/১৫টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ ভোগান্তিে পড়েছেন।

এ সড়কে প্রতিদিন অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালান চাঁনপুর গ্রামের ইয়াছিন মিয়া বলেন, আমরা চালকরা জান বাজি রেখে গাড়ি চালাই। এটা কোনো রাস্তাই না। প্রায়ই গাড়ি উল্টে যায়। আমরা গর্তে ইট ফেলে গাড়ি তুলে আনি।

আজ দুপুরে সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, পাহাড়িয়া ঢলের সৃষ্ট তীব্র পানির স্রোতে এলজিইডি পাঁকা সড়ক ভেঙে গেছে। উপজেলার আন্তঃ সড়কের ওপর থেকে পানি কমলেও এখন এ সড়কসহ কিছু অংশে বুক পানি ও কোথায় ১/৩ ফুট সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।  বরুয়াকোনা পাতলাবন পাহাড়ে যাতায়াত করেন অসংখ্য পর্যটক ও শিক্ষার্থী। কিন্তু সড়কটি সংস্কার করা হচ্ছে না। এটি প্রশস্তও করা হচ্ছে না। প্রতি বছরই বর্ষায় ওই সড়কের ওই স্থানে পানির তীব্র স্রোতে ভেঙে যায় । এতে করে ভারী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যাতায়াতে অসুবিধার সম্মূখীন হয়ে পড়েন জনসাধারণ। তবে স্থানীয়রা ওই বড় ভাঙার স্থানে বাঁশের চাঁটাই দিয়ে পারাপারের ব্যবস্থা করেছেন। এর ফলে কিছুটা ভোগান্তি কমলেও পারাপারের জন্য গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। জরুরি ভিত্তিতে সড়কের দ্রুত মেরামত করে জনদুর্ভোগ লাঘবে জন্য জনপ্রতিনিধিসহ উপজেলা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আফসার উদ্দিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, পাহাড়ি ঢলে প্রতি বছরই বর্ষায় ওই সড়কের ওই স্থানে পানির তীব্র স্রোতে ভেঙে যায় । আর যাতে না ভাঙে এ অর্থ বছরে ওই সড়কের সংস্কারের কাজ উদ্যোগ নেয়া হবে।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads